মালদ্বীপে বাংলাদেশি ওয়ার্ক পারমিটে ঘুস বাণিজ্য, জড়ালেন প্রেসিডেন্ট
ঘটনার প্রতিক্রিয়া ও অভিযোগের তীব্রতা
ম লদ ব প ব ল দ – মালদ্বীপে বাংলাদেশি কর্মচারীদের ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন প্রক্রিয়ায় ঘুস বাণিজ্যের অভিযোগ স্পষ্ট করে তুলেছেন মালদ্বীপের সাবেক ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলার জেনারেল শাম্মান ওয়াহিদ। তিনি প্রমাণ সামগ্রী হিসেবে চ্যাট ও অডিও রেকর্ড প্রকাশ করেছেন, যা দেখিয়েছে যে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর বিরুদ্ধে ঘুস আদায়ের বিষয়টি বাংলাদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়ায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে প্রেসিডেন্টের মোবাইল ফোন পুলিশের হেফাজতে রয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
অভিযোগের অনুযায়ী, প্রতিটি ওয়ার্ক পারমিটের বিপরীতে মালদ্বীপীয় রুফিয়া ঘুস আদায় হয়েছে। বাংলাদেশি কর্মীদের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হাজার হাজার টাকা দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন শাম্মান ওয়াহিদ। তিনি স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর ভিত্তিতে বিষয়টি উঠিয়েছেন এবং প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু তার বিরুদ্ধে সামগ্রীগুলো বিশ্লেষণ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে পরিচালনা প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন হয়নি।
প্রতিটি ওয়ার্ক পারমিটের বিপরীতে মালদ্বীপীয় রুফিয়া ঘুস আদায় হয়েছে বলে শাম্মান ওয়াহিদ দাবি করেন। তিনি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে তথ্য প্রমাণ করেছেন চ্যাট ও অডিও রেকর্ডের মাধ্যমে যার মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের কাছে বিষয়টি প্রমাণ করা হয়েছে। তবে অভিযোগগুলো প্রতিক্রিয়া পেয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া বা অনুপ্রবেশ
শাম্মান ওয়াহিদ বলেন, বিষয়টি তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইহুসানের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল। তিনি অভিযোগ প্রমাণের জন্য গৃহীত প্রমাণগুলো প্রকাশ করেছেন। যদিও প্রেসিডেন্ট কার্যালয় বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিক্রিয়া প্রদান করেছে বলে জানা গেছে, কিন্তু তা আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়নি। অভিযোগ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশি কর্মী ও তাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে।
মালদ্বীপে বাংলাদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদনের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মালদ্বীপে গৃহীত কর্মীদের সংখ্যা বাড়ছে তবে প্রক্রিয়াটি অপ্রতুল করে তুলছে ঘুস বাণিজ্য। বর্তমানে বাং