Probash

দেশে ফেরার ছয়দিন আগে সড়কে প্রাণ গেলো ওমান প্রবাসীর

দেশে ফেরার ছয়দিন আগে ওমান প্রবাসী শহিদুল ইসলামের প্রাণ সড়কে গেলো দ শ ফ র র ছয়দ ন - বেরুমি শহরে গতকাল শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনার

Desk Probash
Published June 8, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

দেশে ফেরার ছয়দিন আগে ওমান প্রবাসী শহিদুল ইসলামের প্রাণ সড়কে গেলো

দ শ ফ র র ছয়দ ন – বেরুমি শহরে গতকাল শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন ওমানে বসবাস করতে হাজির শহিদুল ইসলাম (৪৫)। তার দেশে ফেরার ছয়দিন আগে এ ঘটনা ঘটেছে, যেখানে তিনি মাত্র ছয়দিন পরে বাড়ি ফেরতে চলছিলেন। কুড়ি বছরের প্রবাসী এ ছয়দিন মাত্র শেষ করতে চলছিলেন যে কিছুক্ষণ পরে তার প্রাণ বেরুমি শহরে সড়ক ঘটনার সাক্ষী হয়ে গেল। তার মা খুরশিদা বেগম ও ভাগনী আজাদ স্থানীয় সময়ে তার দেশে ফেরার প্রস্তুতি করতে হাজির ছিলেন।

গাড়ির চালক এবং দুর্ঘটনার পরিস্থিতি

তার মামা আনোয়ার হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর মরদেহ হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর মৃত ব্যক্তির দেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু কী কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা আরো বিস্তারিত জানা যায়নি। গাড়িটির চালক মিশরের একজন নাগরিক হিসেন চিহ্নিত হয়েছেন। এ ঘটনায় দেশে ফেরার ছয়দিন আগে এক পরিবারের স্বপ্ন ছিনতাই হয়েছে।

তুমি সুস্থভাবে ফিরে আসো, আর কিছু লাগবে না।

নিহত শহিদুল ইসলাম পরিবারের সাথে কথা বলেছিলেন যে তিনি দেশে ফেরার ছয়দিন আগে এ প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের জমাদার গ্রামে মরহুম মুহাম্মদ মিয়ার ছেলে। ওমানে দীর্ঘদিন বসবাস করতেন এবং বেরুমি শহরে টেইলার্সের ব্যবসা চালাতেন। এ ছয়দিন মাত্র শেষ করতে হাজির ছিলেন যে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা আরো বিস্তারিত জানা যায়নি।

নিহত ব্যক্তির ছোট ভাই আজাদ বলেন, গত কয়েকদিন দেশে ফেরার জন্য প্রস্তুতি করছিলেন। তিনি বেরুমি শহরে পরিবারের সাথে মিলিয়ে আনন্দে ভরে ছিলেন। হঠাৎ এমন খবর মেনে নিতে পারছি না। তার মামা আনোয়ার হোসেন জানান, মরদেহ হাসপাতালে রাখা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর তার দেশে ফেরার ছয়দিন আগে দেহ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

পরিবারের দুঃখ ও আশ্চর্য

শহিদুল ইসলামের স্বাস্থ্য ও চালানো গাড়িটি দেশে ফেরার ছয়দিন আগে এ ঘটনা ঘটেছে যেখানে তিনি মাত্র ছয়দিন আগে বাড়ি ফেরতে চলছিলেন। তার পরিবার জানায় কী নিয়ে আনন্দে ভরে ছিল সেটা নিশ্চিত হওয়ার পর তার দেহ পাঠানো হবে। এ ঘটনায় বেরুমি শহরে শোকের আবর্ত সৃষ্টি হয়েছে। নিহত ব্যক্তির বৃদ্ধা মা ও ছোট ভাই কী কী করছিলেন তা জানা গেছে।

মামা, আমার

Leave a Comment