উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই হতে পারে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি
উদ ভ বনন র ভর ব ল – বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। একসময় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক ছিল তার প্রাকৃতিক সম্পদ ও ভৌগোলিক অবস্থান। কিন্তু চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হলো জ্ঞান ও প্রযুক্তি। আজ যে দেশ গবেষণা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি করছে, সেই দেশই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চালনা করছে।
বাংলাদেশ এখন এমন একটি মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে তরুণ জনগোষ্ঠী হতে পারে সবচেয়ে শক্তিশালী সম্পদ। দেশটি বর্তমানে প্রায় ১৮ কোটি মানুষের সাথে ভরপুর হয়ে উঠছে এবং তাদের সঠিক শিক্ষা, দক্ষতা ও প্রযুক্তির সুযোগ পেলে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এজন্য শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানের সুযোগ দেওয়া, গবেষণা ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা ও উদ্যোক্তা দক্ষতা অর্জন করা আবশ্যক।
ডিজিটাল রূপান্তর এবং আগামী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল রূপান্তরের পথে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সেবা, ডিজিটাল সরকার, ই-কমার্স এবং ফ্রিল্যান্সিং খাতগুলো এর সফলতার সাক্ষী। কিন্তু আগামী ধাপে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের “উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ”-এর দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। শিক্ষার পাশাপাশি কোডিং, রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং ডাটা অ্যানালিটিক্স সহ বিষয়গুলোকে মূলধারার শিক্ষার অংশ হিসেবে গড়ে তোলা দরকার। এর সাথে গবেষণার উন্নয়ন বৃদ্ধি করা অপরিহার্য হয়ে আছে।
বিশ্বের সবচেয়ে অগ্রগতি করা দেশগুলো গবেষণাকে জাতীয় উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থান দিয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা ছাড়া উদ্ভাবন ভিত্তিক অর্থনৈতিক মডেল গঠন করা সম্ভব নয়। প্রযুক্তি নির্ভর উদ্যোক্তা তৈরি করাও জরুরি হয়ে উঠেছে যেহেতু প্রতিটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমাধান হিস