জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদের ভেতরে নিষ্পত্তি না হলে রাজপথে আদায় হবে ইনশাল্লাহ
স সদ ন হল র জপথ জ – বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে না হোক সংসদে, তা রাজপথে আদায় করা হবে ইনশাল্লাহ। তিনি বলেন, জনগণের দাবি থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই। সংসদে সমাধান হলে ভালো, আর না হলে আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে।
উই আর কমিটেড। আমরা আমাদের কমিটমেন্ট ভায়োলেট করতে পারি না। জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবো না।
সংবিধান সংশোধনে সরকারি দলের প্রস্তাবিত কমিটিতে বিরোধীদল প্রতিনিধি দেবে না জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দাবি ছিল সংবিধান সংস্কার। এই জন্যই রেফারেন্ডাম হয়েছে। আমরা বলেছি, ৭২ শতাংশ মানুষ যেখানে ভোট দিয়েছে, আমরা সংসদের ভেতরে এটা বদলাতে চাই না। আমরা জনগণের পক্ষে, জনগণের রায়ের পক্ষে।
সংবিধান সংস্কৃতি ও আলোচনা নিয়ন্ত্রণ
বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না বলে তিনি আরও জোর দিয়েছেন যে সংসদে আমাদের কোনো আচরণ করবো না যাতে জনস্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়। তিনি বলেন, কোনো ইস্যুতে আমাদের যৌক্তিক বিষয়টা বিবেচনায় না নিয়ে নাকচ করে দেওয়া হলে আমরা ওয়াক আউট করবো।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংক ইস্যুতে আমরা কথা বলেছি। এটা জনস্বার্থে বলেছি। ভূমিকা পালন করবেন জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের ডিসিশন সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমরা বগলদাবা বিরোধীদল হবো না এবং সংসদের ভেতরে এমন কোনো আচরণ করবো না যাতে জনস্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়।
জনগণের পক্ষে কথা বলা
জনগণ আমাদের এখানে পাঠিয়েছে জনগণের কথা বলার জন্য। তিনি বলেন, কোনো সমস্যার সমাধান হবে না যদি আলোচনা সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। সরকার ও বিরোধীদল সবাই খুব গঠনমূলক আলোচনা করেছে।
সংসদ অধিবেশন পরিচালনায় প্রতি মিনিটের জন্য এক লাখ ৭৬ হাজার টাকা খরচ হয় জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা স্পিকারকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম যে ব্যক্তিগত চরিত্রহনন, দলের চরিত্রহনন এবং কারও মনোরঞ্জন বা প্রশংসা করা এগুলো যেন বাদ দেওয়া হয়। এখানে কারও প্রশংসা করতে আমরা আসিনি। আমরা এসেছি জনগণের পক্ষে কথা বলতে।
মতবিনিময় সভায় বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসল