মামুনুল হকের আহ্বান: রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি প্রদানের আহ্বান
শ পল চত বর র শহ দদ – বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক শাপলা চত্বরের শহীদদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত আইন দুর্বৃত্ত ও বিভিন্ন দলীয় প্রতিনিধি সহ মহাসমাবেশে তিনি এ বিষয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন। সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে তাদের অনেক সমালোচনা রয়েছে, কিন্তু সেগুলো যৌক্তিকভাবে রাজপথ ও সংসদে তুলে ধরা হবে। তিনি বলেন, এবারের বাজেটে জুলাইয়ের শহীদ পরিবারের প্রতি সম্মান জানানো হয়েছে যা তারা স্বাগত জানান। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের মতো শাপলা চত্বরের শহীদদেরও রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া আবশ্যক। শাপলা চত্বরের শহীদদের স্বীকৃতি অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা কর্মসূচি চাইছেন মামুনুল হক।
শহীদ স্মৃতি রক্ষার আহ্বান ও দেশ সীমান্ত পরিস্থিতি বিষয়ে উদ্বেগ
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সন্তান হিসেবে আপনি বিশেষ সম্মান পেয়েছেন। কিন্তু বর্তমান সময়ে সেই শহীদ মর্যাদার প্রতি নজর না দেওয়া হলে দেশের স্বাধীনতার প্রতি ধ্বংসাত্মক আঘাত সম্ভব। মামুনুল হক আহ্বান জানান, এখন থেকে বিভ্রান্ত পথে গিয়ে শেখ হাসিনার রাজনীতি করবেন না। এ কথা বলেন তিনি যখন বিভিন্ন দেশে মাদক বিস্তার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। সীমান্ত পরিস্থিতি বিষয়ে তিনি ক্ষিতিজ বিস্তারের আশঙ্কা প্রকাশ করেন। সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং হত্যাকাণ্ড বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া আবশ্যক।
শাপলা চত্বরের শহীদদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা: কারণ ও প্রয়োজনীয়তা
২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে ঘটে যাওয়া মর্যাদার অপমান ঘটনা সম্পর্কে মামুনুল হক আবার স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনার বিপর্যয় বোধ করেন যারা তখন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন। শাপলা চত্বরে প্রাপ্ত শহীদদের স্মৃতি রক্ষার জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি আবশ্যক। মামুনুল হক বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো আঘাত এলে তা প্রতিহত করা হবে। তাঁর মতে, স্বাধীনতা ও জুলাই চেতনার ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
মামুনুল হক আরও জানান, সরক