বাজেটে ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যবাধকতা বুমেরাং হতে পারে
ব জ ট ব য ক হ – বাজেট ব্যায় করার প্রস্তাব অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে উঠে এসেছে। এ বাজেটে ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার (টিআইএন) বাধ্যবাধকতা আরও দৃঢ় করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মূলত এটি কর আদায় বৃদ্ধি এবং আয়কর ব্যবস্থার জন্য সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু বাজেট ব্যায় করার ক্ষমতা এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি কীভাবে ব্যাংকিং খাত এবং সাধারণ মানুষের জন্য বিপর্যস্ত হতে পারে সেই প্রশ্ন উঠে এসেছে। বিশেষ করে যেখানে ক্ষুদ্র আমানতকারীদের অর্থনৈতিক আন্তরিকতা আছে সেখানে এ প্রস্তাব ক্ষতিকর হতে পারে।
বাজেট ব্যায় করার প্রস্তাব ও তার গুরুত্ব
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রস্তাব অনুযায়ী, টিআইএন বাধ্যবাধকতা প্রস্তাব করার প্রক্রিয়ায় প্রতিটি ব্যাংক হিসাবে আয়কর বাধ্যতামূলক হতে পারে। এটি রাষ্ট্রীয় আয় আদায় বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে যাতে কর ব্যবস্থা ক্ষুদ্র আমানতকারীদের দিকে পরিচালিত হয়। তবে এ ব্যবস্থা কিন্তু ব্যাংকিং সম্প্রসারণের পরিবর্তে অবাধ্যতা বৃদ্ধি করতে পারে বলে আশঙ্কা উঠে এসেছে। বিশেষ করে বৃহৎ জনগোষ্ঠী ব্যাংকিং ব্যবস্থার দিকে যাওয়া বিষয়ে বাজেট ব্যায় করার ক্ষমতা কম হয়ে আসছে।
টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রভাব
বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ফিনডেক্স ডাটাবেজের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশের পক্ষে। কিন্তু মূলধারার ব্যাংকিংয়ে আমানতকারীর সংখ্যা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক হিসাবগুলোর প্রায় ৭৫-৮০ শতাংশের �