অর্থনৈতিক সংকট ও সংকট কাটার প্রণোদনা প্যাকেজ
প রণ দন প য ক জ – বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট বিপর্যস্ত হয়ে আছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি সামনে এক জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলেছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ, রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি এবং ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচকের অস্থিরতা প্রসূত করছে। এমন পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা প্যাকেজ বা বিশেষ আর্থিক সহায়তা অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। তবে বড় পরিমাণে প্রণোদনা ঘোষণার মাধ্যমে সব সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব হয় না। বরং প্রণোদনার প্রতিটি টাকার যৌক্তিক ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ে সবচেয়ে গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
প্রণোদনার বিতরণের সমস্যা ও প্রভাব বিশ্লেষণ
কোভিড-১৯ মহামারির প্রতিকারের জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক পূর্বে প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল। কিন্তু সেই সংকট মোকাবিলা করার আগেই বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে সামষ্টিক অর্থনৈতিক মাধ্যমে নতুন চাপ আসছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাপ উৎপাদন ও বিনিয়োগকে আরও কঠিন করেছে।
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতীতে সিএমএসএমই খাতের জন্য প্রণোদনা ঋণ বিতরণের হার বড় শিল্পগোষ্ঠী ও রপ্তানিমুখী খাতের পকেটে প্রায় শতভাগ হারে পৌঁছেছে। কিন্তু ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে বিতরণের হার অনেক সময় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশের ওপরে যায় না। ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত নথিপত্র চাওয়া, জামানত সংকট এবং তথ্য অভাব দেখা যাচ্ছে। সার্বিক কর্মসংস্থানের প্রায় ৪৫ শতাংশ কৃষি খাত থেকে আসে। কিন্তু অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিতে সেই খাতগুলো উপেক্ষিত হয়েছে।
ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট ও ফলাফল
বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত স্মরণকালের ভয়াবহ খেলাপি ঋণ এবং ত