সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকদের প্রধান পয়েন্ট
স ব দ সম ম লন চ – সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে হাম সংক্রামক রোগ হতে পারে এবং সময়মতো রোগ শনাক্ত করা এবং চিকিৎসা প্রদান করা গেলে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঁটে প্রায় ৯৯ শতাংশ রোগী। তবে নিউমোনিয়া সহ শ্বাসতন্ত্র জনিত জটিলতা দেখা দিলে মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়া এবং টিকাদান কর্মসূচি দ্বারা হাম বিস্তার রোধে সরকারের গুরুত্ব দিতে অনুরোধ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অংশ গ্রহণকারী বিশেষজ্ঞরা জানান যে হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। গত দুই বছরে টিকাদান কর্মসূচির বিঘ্ন ঘটায় সংক্রমণ বেড়েছে এবং সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে আরও গুরুত্ব দিয়েছেন। শিশুদের মধ্যে হাম সম্পর্কিত ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। তবে প্রায় ৫ থেকে ৮ শতাংশ শিশুতে নিউমোনিয়া সম্পর্কিত উপসর্গ দেখা দেয় যা গুরুতর ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
টিকাদান ও স্বাস্থ্য সংস্থার ভূমিকা
ডা. জিয়াউল হক বলেন, হাম প্রতিরোধে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদান কর্মসূচি চালু রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেখান যে চলতি বছরের মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত দেশে ৫৪ হাজার ৪১৯ জন শিশুতে হাম সদৃশ উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। সে সময়ে ৭০ জন হামে এবং ৩৬৯ জন হাম সদৃশ উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। তিনি জানান যে হামে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ফিভার কর্নার চালু করা অপরিহার্য। এটি রোগের বিস্তার রোধে সহায়তা করে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিকিৎসা নির্দেশিকা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি। শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া সহ অন্যান্য জটিলতা বেশি দেখা দেয় অপুষ্টি ও বিভিন্ন ঝুঁকি সম্পর্কিত অবস্থার কারণে। তাই চিকিৎসা শুরুতে দেরি হলে জটিলতা বাড়ে এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সম্পর্কিত প্রতিক্রিয়া হাম রোগের সাথে আসে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
ডাঃ আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন যে হাম সম্পর্কিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই অপতথ্যে বিভ্রান্ত না হয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঁটে রোগীদের জন্য দ্রুত চিকিৎসা করা জরুরি। শিশুদের সাথে বিশেষ সতর্কতা দরকার যে নিউমোনিয়া সহ জটিলতা হাম সংক্রামক হতে পারে। তাদের মতে, নিউমোনিয়া রোগের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ও অক্সিজেন স্যাচুরেশন দ্রুত নিশ্চিত করা জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের মতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে রোগের প্রাদুর্ভাব আরও কম হতে পারে। এখন থেকে উপজেলা থেকে বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো বিশেষ ভাবে সংবাদ সম্মেলন সম্পর্কিত উপসর্গ শনাক্ত করতে হবে। তবে কম জ্বর ও শ্বাসকষ্টের ক্ষেত্রে সংবাদ সম্মেলন সম্পর্কিত চিকিৎসা প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা প্রয়োজন। এ প্রক্র