চার বন্ধুর বাজিমাত: খামার হতে কোরবানিতে সফলতা
চ র বন ধ র ব জ – ২০১৯ সালে করোনা মহামারিতে চাকরি হারিয়ে বেকায়দায় পড়েন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার শাহিদুল ইসলাম শাকিল। সেই সময় কোনও ব্যবসার সুযোগ ছিল না। ফলে দিশাহারা হয়ে পড়েন তিনি। তার বিপরীতে চার বন্ধু মিলে গড়ে তোলেন একটি খামার। এই সিদ্ধান্ত থেকে তাদের জীবনে রচিত হয়েছে নতুন এক সফলতার গল্প।
খামারের আদ্যোপান্ত
খামারের নাম ‘জনতা ডেইরী এন্ড এগ্রো ফার্ম’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সময় শাকিল গরু ও ষাঁড় পালন দিয়ে শুরু করেন। আসন্ন ঈদে তাদের প্রতি মাসে সাড়ে তিন লাখ টাকার ব্যয় হয়। প্রতিমাসে গাভি ও বাছুর বিক্রি হয়। প্রতি বছর অর্ধকোটি টাকার মতো লাভ আসে।
পাঁচটি গরু ও সাধারণ শেড নির্মাণসহ আমাদের শুরুটা ছিল ১০-১২ লাখ টাকা দিয়ে। কিন্তু এখন এটি প্রায় দেড়কোটি টাকার ফার্মে উন্নীত হয়েছে।
খামারের আরেক স্বত্বাধিকারী রাজু বলেন, তাদের নিজস্ব ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। তাতে গরুগুলোর ভিডিও দেওয়া হয়। ক্রেতারা দেখে গরু নিতে আসেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতাদের জন্য বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
খামার ঘুরে দেখতে দেখতে ঈদুল আজহা ঘিরে কমপক্ষে ৪০০ কোরবানিযোগ্য পশু বিক্রির আশা রয়েছে। গরু মোটাতাজাকরণ মূলত চারমাস মেয়াদ