News

রামিসা হত্যা মামলায় বিশেষ পিপি নিয়োগ

রামিসা হত্যা মামলায় বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ র ম স হত য ম মল - রাজধানী ঢাকার পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার হত্যার অভিযোগে দায়ের করা

Desk News
Published May 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

রামিসা হত্যা মামলায় বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ

র ম স হত য ম মল – রাজধানী ঢাকার পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত সম্পাদনার জন্য ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করেছে সরকার। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। শনিবার (২৩ মে) প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পল্লবী থানার মামলা নং-৩৫, তারিখ ২০ মার্চ ২০২৬ এ মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২)/৩০ ধারা এবং দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় বিচারাধীন।

আদেশে বলা হয়েছে, ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ১৮৯৮’ এর ৪৯২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে ডেপুটি সলিসিটর (জিপি-পিপি) মো. রফিকুল ইসলামের সই করা আদেশে উল্লেখ করা হয়। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের কাছে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। গত ১৯ মে সকালে তার বাসা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে একই ভবনের ভাড়াটিয়া সোহেল রানার কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা পড়ে থাকতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে রক্তাক্ত অবস্থায় রামিসাকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ প্রযুক্তিগত সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা আদালতকে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। একই ঘটনায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে আদালত সোহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করে এবং স্বপ্নাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

দ্য ক

Leave a Comment