মসলার দোকানে ভিড়
ঈদের আগে মাংস খাওয়া আশা
মসল র দ ক ন ভ ড় – মসল র দ ক ন ভ ড় পবিত্র ঈদুল আজহার আগের দিন রাজধানীর রামপুরা মোল্লাবাড়ি বাজারে সামান্য কিছু মসলা কিনতে এসে রিকশাচালক আব্দুল হালিম তাঁর ব্যস্ততা ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, কোরবানি দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় বেশ কয়েকটি মাংস কেনার জন্য তার মহল্লায় গরু কাটার দায়িত্ব নিয়েছেন। অন্যান্য দোকানগুলো থেকেও মাংস পাওয়া যাচ্ছে। কতদিন আগে গরুর মাংস খেয়েছি মনে নেই। আল্লাহ রহম করলে আগামীকাল ঈদের দিন পরিবারের সবাই মিলে পেট ভরে মাংস দিয়ে ভাত খাবো।
ঈদ উপলক্ষে মসল র দ ক ন ভ র জন্য বেশ কয়েকটি দোকান আগে থেকেই সাজানো হয়েছে। বাজারের ক্রেতাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, যারা পারিবারিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য ছোট পরিমাণে মসলা কিনছেন। দামে বৃদ্ধি ঘটার কারণে কিছু ব্যক্তি এখন সাধারণ জায়গা থেকে মসলা কিনছেন। তবে মসল র দ ক ন ভ যে বাজার চালু হয়েছে, তার ব্যবহার জনগণের সামান্য সমস্যা তৈরি করেছে।
নিম্ন আয়ের মানুষের ভিড়
বুধবার (২৭ মে) রামপুরা, খিলগাঁও, বনশ্রী ও বাড্ডা এলাকার মসল র দ ক ন ভ যে সময় বাজারে ভিড় বেড়েছে। অনেক ব্যক্তি কেনার জন্য জিরা, গোলমরিচ, শুকনা মরিচ বা গরম মসলা কিনছেন। তারা ক্ষীর বা তেল ছাড়া সামান্য কিছু ক্রয় করছেন। আমরা আর নিয়মিত মাংস খাই না, তাই মসল র দ ক ন ভ যে দোকান থেকে খুব কম মাংস পেয়েছি।
গরুর মাংস খাই না কয়েক মাস হয়ে গেছে। কিন্তু ঈদ উপলক্ষে আশাবাজী করছি যে আমরা মসল র দ ক ন ভ যে দোকানে আপনারা আমাদের সময়ের বেশি দাম চাপিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু আমরা আপনাদের পেট ভরে মাংস দিয়ে ভাত খাবো এই আশাই রেখেছি।
গরু কাটার জন্য দোকানে ভিড়
ঈদুল আজহার উপলক্ষে গরু কাটার আস্থান হিসেবে মসল র দ ক ন ভ র ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। রামপুরা এলাকায় রিকশাচালক মো. কালু মিয়া বলেন, মসল র দ ক ন ভ যে দোকানে পরিবার নিয়ে ভালো খাওয়া সম্ভব হয়। কিন্তু সারাদিন রিকশা চালায়া যা ইনকাম হয়, তার বেশিরভাগই চাল, নুন, ঝাল কিনতে শেষ হয়ে যায়। মসল র দ ক ন ভ যে দোকানে খাবার উপাদান কেনার জন্য বেশি খরচ হয়।
মসল