ভিজিএফ র ১০ কেজি চালের বদলে ৩০০ টাকা বিতরণ: গোটা ইউনিয়নের প্রতিক্রিয়া
ভ জ এফ র ১০ ক জ – ভিজিএফের একটি ক্ষেত্রে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন সরকারি চালের পরিবর্তে টাকা বিতরণের বিষয়ে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) স্থানীয় প্রতিক্রিয়ায় বেশ কয়েকজন উপকারভোগী দাবি করেন যে তাদের জন্য ভিজিএফের স্লিপ থাকলেও তাদেরকে সরকারি চাল দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে তাদের কাছে ৩০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে উপকারভোগীদের মধ্যে সাধারণত বিশ্বাস হয়নি এবং সেই বিষয়টি স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।
প্রাপ্তি প্রক্রিয়া ও নির্মম বিতরণ
ভিজিএফ প্রোগ্রামের জন্য সরকারি চাল বিতরণ করা হয় এবং তার বদলে টাকা দেওয়া হয়েছে কিছু বিশেষ পরিস্থিতির কারণে। ইউনিয়নের সাবেক প্রতিক্রিয়ায় মো. ইসমাইল হোসেন প্রতিটি উপকারভোগীকে ৩০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে স্থানীয়দের মতামত বিশেষ রূপে প্রকাশ পেয়েছে এবং ভিজিএফ র ১০ কেজি চালের পরিবর্তে টাকা দেওয়া হয়েছে এই ঘটনা ক্ষোভের কারণ হিসেবে উঠেছে। এতে কার্যত কোনও আইনগত ব্যবস্থা ছিল না বলে আশঙ্কা জাগছে।
উপকারভোগীদের আপোস ও বিশ্বাস নষ্ট করা হয়েছে
উপকারভোগীদের দাবি অনুযায়ী, তারা ভিজিএফ র ১০ কেজি চালের বদলে টাকা গ্রহণ করতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু অনুপার্জিত চালের পরিবর্তে টাকা দেওয়া হয়েছে বলে বিশেষ করে কয়েকজন উপকারভোগী ক্ষুব্ধ হয়েছেন। প্রতিক্রিয়ায় বাবুখালী ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্তে বিশ্বাস নষ্ট করা হয়েছে এবং কার্যত স্থানীয় প্রশাসনের কাছে প্রতিবাদ উঠেছে।
“ভিজিএফ র ১০ কেজি চাল বিতরণ করতে হবে। তাই চালের পরিবর্তে টাকা দিয়েছি কিছু পরিস্থিতির কারণে।”
এ বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন বলেন, কিছু ক্ষেত্রে চালের পরিমাণ কম ছিল। এজন্য সেই ক্ষেত্রে ভিজিএফ র ১০ কেজি চালের বদলে টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে সেই প্রক্রিয়াটি কোনও সংশোধন ছাড়া করা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। অপর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রি প্রকাশ করেন যে ভিজিএফ র ১০ কেজি চালের বদলে টাকা বিতরণের বিধান ছিল না। এ সম্পর্কে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
বাবুখালী ইউনিয়নে ভিজিএফ র ১০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে এবং প্রায় ২০০ মানুষের উপকার ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু সেই ক্ষেত্রে চালের ব