News

ইরানের সঙ্গে চুক্তির পর ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ড’ সই করবে আরব বিশ্ব?

ইরানের সঙ্গে চুক্তির পর ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ড’ সই করবে আরব বিশ্ব? ইর ন র সঙ গ চ ক - ইরানের সাথে পারমাণবিক সম্মানত্র আলোচনা সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আরব দেশ

Desk News
Published May 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইরানের সঙ্গে চুক্তির পর ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ড’ সই করবে আরব বিশ্ব?

ইর ন র সঙ গ চ ক – ইরানের সাথে পারমাণবিক সম্মানত্র আলোচনা সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আরব দেশ এবং মিত্র দেশগুলি আব্রাহাম অ্যাকর্ডের স্বাক্ষর করতে বাধ্য হবে। যদি যুদ্ধবিরতি পরিচালনা করা সম্ভব না হয় তবে ইরানের প্রতি সামরিক ক্রমশ আক্রমণ পুনরায় শুরু হতে পারে।

২৫ মে সোমবার ট্রুথ সোশালে পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, আমি সব দেশকে অবিলম্বে আব্রাহাম অ্যাকর্ডের স্বাক্ষর করতে আহ্বান জানাই। ইরান যদি আমার সঙ্গে চুক্তি করে তাহলে সে চুক্তি একটি জাতি সম্পর্কে সংঘটিত বড় সম্মান হতে পারে। তিনি বলেন, ইরানের সাথে আলোচনা আগে হতে পারে। তবে যদি কোনো চুক্তি হয় না তবে আবারও যুদ্ধে ফেরত আসার পথ খুলে দেখা হবে।

২৫ মে সোমবার ট্রুথ সোশালে পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, আমি সব দেশকে অবিলম্বে আব্রাহাম অ্যাকর্ডের স্বাক্ষর করতে আহ্বান জানাই। ইরান যদি আমার সঙ্গে চুক্তি করে তাহলে সে চুক্তি একটি জাতি সম্পর্কে সংঘটিত বড় সম্মান হতে পারে। তিনি বলেন, ইরানের সাথে আলোচনা আগে হতে পারে। তবে যদি কোনো চুক্তি হয় না তবে আবারও যুদ্ধে ফেরত আসার পথ খুলে দেখা হবে।

ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ইসরায়েলের সাথে আরব দেশগুলির সুসম্পর্ক স্থাপন করতে আব্রাহাম অ্যাকর্ড প্রকাশ করেন। এ চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট সমাধানে সহায়তা করা। ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইন প্রথম এ চুক্তি স্বাক্ষর করে। ডিসেম্বরে মরক্কো এবং জানুয়ারিতে সুদান এ চুক্তির ভূমিকা পালন করে।

আব্রাহাম অ্যাকর্ড কী?

এই চুক্তি ইব্রাহিম (আঃ) এর নামে নামকরণ করা হয়। সে কূটনৈতিক সম্পর্ক সুসম্পর্ক বৃদ্ধি করা, ব্যাবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা এ চুক্তির প্রধান কাজ।

আব্রাহাম অ্যাকর্ডের মূল বিষয়গুলো হলো:

  1. ইসরায়েলের সাথে আরব দেশগুলি কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং দূতাবাস খোলা এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা।
  2. বাণিজ্য ও প্রযুক্তি সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে ইসরায়েল এবং স্বাক্ষরকারী দেশগুলির মধ্যে ব্যবসাক্রম ও বিনিয়োগ প্রসার করা।
  3. নাগরিকদের জন্য ভিসা সহজীকরণ এবং পর্যটন সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা নেওয়া হয়।
  4. সামরিক সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে ইরান ও উগ্রপন্থী প্রভাব কমানো।

গত শতাব্দীতে ইসরায়েল যুদ্ধের পর ফিলিস্তিন ইস্যুতে অনেক আরব দেশ ঘোষণা করেছিল যে, ফিলিস্তিনের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের আগে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে না। কিন্তু আব্রাহাম অ্যাক

Leave a Comment