বিছানাকান্দিতে গোসলে নেমে নিখোঁজ শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার
ব ছ ন ক ন দ ত – বিছানাকান্দিতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ছাত্র শান্ত বণিক (২২) এর মৃতদেহ পাঁচ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি শুক্রবার (১৫ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটে এবং এলাকায় অবস্থান করা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মৃতদেহ খুঁজে পায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান জানান যে মৃতদেহ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্থানীয় হাসপাতালে প্রস্তুত করা হবে।
ছাত্রের গোসল ঘটনা ও আতঙ্ক
শুক্রবার বিকেলে তিন বন্ধু মিলে বিছানাকান্দিতে গোসলের জন্য নামে। এ সময় শান্ত বণিক পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান বলেন, “বিছানাকান্দি জলাশয় খুব অসাবধানতার সাথে ব্যবহার করা হয়। এ সময় ছাত্রদের পর্যটন প্রশাসন ও পরিবারের সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছিল।” কিন্তু যারা ঘটনার স্থান সম্পর্কে জানতেন তারা সেখানে ছিলেন না।
শান্ত বণিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী বাজার এলাকায়। তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে সামাজিক মাধ্যমে নিখোঁজ হওয়ার খবর প্রকাশ করেছিলেন। তবে তিনি মৃত্যুর খবর কোনো সূত্রে জানতেন না।
তদন্ত ও মৃতদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়া
বিছানাকান্দি জলাশয়ে গোসলের ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা এলাকায় আতঙ্কে জড়ানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা সহায়তার জন্য প্রাথমিক চেষ্টা করেন। ডুবুরি দল এবং নার্সিং হাসপাতালের চিকিত্সকদের এ ঘটনার খবর পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়। বিছানাকান্দিতে গোসলে নেমে নিখোঁজ ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধারের জন্য সকাল থেকে খুঁজাচ্ছে বলে সূত্রে জানা গিয়েছে।
বিছানাকান্দিতে গোসলে নেমে নিখোঁজ ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করার পর স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিত্সা চালানো হয়। পরিবারের আপাতত আসার বাধা দেওয়া হয় কারণ তিনি কোনো সংক্রমণের আশঙ্কা ছিল। অবশেষে ডেথ সার্টিফিকেট পেয়ার পর তার মৃতদেহ ক্যাম্পাসে পৌঁছানো হবে।
শান্ত বণিকের মৃত্যুর খবর সোশাল মিডিয়াতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জোরালো প্রতিক্রিয়া ঘটে। তার ছাত্রদের পরিবারের সদস্যদের আতঙ্ক করেছিল এবং সামাজিক মাধ্যমে মার্কার খবর প্রকাশ করা হয়। বিছানাকান্দিতে গোসলে নেমে নিখোঁজ ছাত্রের মৃত্যু পর্যটন এলাকার জন্য একটি সাংঘাতিক ঘটনা হিসেবে গণ্য। এ ঘটনার পর স্থানীয় সরকারি কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিক্রিয়া চেয়েছে।
বিছানাকান্দিতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া ছাত্রের মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা তার মৃতদেহ নিয়ে উদ্বিগ্ন। ছাত্রটি তার অনুসন্ধানে ক্ষুদ্র আশা রেখেছিলেন এবং বিছানাকান্দিতে গোসল করার জন্য তার মুখ্য কারণ ছিল পরিবারের আশা�