ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ: স্ত্রী ও তিন সন্তান কালামের পাশে শায়িত হবেন
ঘটনার প্রাথমিক বিবরণ
ফত ল ল য় ব স ফ – ফতুল্লায় বিস্ফোরণ ঘটনা নারায়ণগঞ্জের গিরিধারা এলাকায় সোমবার (১০ মে) সকালে ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে পরিবারের একটি ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজের কারণে ধ্বংস ঘটেছে। বিস্ফোরণে সায়মা ও তিন সন্তান পরিবারের পাঁচ সদস্য দগ্ধ হয়েছেন। এখন সায়মা এবং তার ছেলে মুন্না ও দুই মেয়ে কথা ও মুন্নির মৃতদেহ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের কনকদিয়া গ্রামে আনা হচ্ছে। গ্যাস লিকেজের ঘটনা কেন্দ্রীয় হওয়ায় এটি ফতুল্লায় বিস্ফোরণের নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে স্থান পেয়েছে।
পরিবার ও সাংসারিক অবস্থা
গত বুধবার (১২ মে) মীর কালাম (৩৫) মৃত্যুর পর তার পরিবারের সদস্যদের অবস্থা খুব দুর্দান্ত হয়ে আসছে। মীর কালামের মৃতদেহ গ্রামে আনা হয়ে দাফন করা হয়। কিন্তু এখন তার স্ত্রী ও তিন সন্তানের মৃত্যু ঘটেছে ফতুল্লায় বিস্ফোরণের কারণে। পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য ঢাকায় অবস্থান করায় কনকদিয়া গ্রামে দাফনের জন্য প্রতিবেশীদের সহায়তা পাওয়া হচ্ছে। মৃতদেহগুলো পটুয়াখালীতে পৌঁছাতে রাত হতে পারে।
মীর কালামের চাচাতো ভাই রফিক মিয়া বলেন, ‘কালাম পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকতেন। আগুনে দগ্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তাকে গ্রামে দাফন করা হয়। পরে তার সন্তানদের ধীরে ধীরে কেউ কেউ মারা যায়। আজ সকালে তার স্ত্রীও মারা গেছেন। মৃতদেহ এখনো পথে রয়েছে। শনিবার সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।’
ফতুল্লায় বিস্ফোরণ ঘটনার পর স্থানীয় মানুষ কবরস্থান গঠনের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। নিহতদের নাম হলো মীর কালাম, সায়মা, মুন্না, কথা এবং মুন্নি। গ্যাস লিকেজে মৃত্যুর কারণে পরিবারের বিপর্যয় গুরুতর হয়েছে। তাদের দুঃখের সুরে কনকদিয়া গ্রামে শায়িত হওয়ার জন্য কবর খুঁড়ছে স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিবারের কেউ কেউ জানাজার প্রস্তুতি করছেন।
গ্যাস লিকেজের কারণে ঘটে ফতুল্লায় বিস্ফোরণ যে পরিবারের মৃত্যু ঘটিয়েছে তারা আগে থেকে প্রতিবেশীদের সাথে গুরুতর আত্মীয়তা রেখেছিলেন। কালামের মৃত্যুর পর তার সন্তানদের ধীরে ধীরে কেউ কেউ সাংসারিক সমস্যায় পড়ে যান। ফতুল্লায় বিস্ফোরণের মৃত্যু ঘটনার পর তার স্ত্রী ও তিন সন্তান এখন কালামের কবরের পাশে শায়িত হবেন।
স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে যে গ্যাস লিকেজ ঘটনা হালকা দুর্ঘটনা হতে পারে। কি�