ফিরে আসতে পারে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ
ফ র আসত প র ক ল – ফিরে আসতে পারে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবিত হয়েছে। এ পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে থাকা অপ্রদর্শিত সম্পদ বা অর্থ বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা কাটানো এবং অচল মূলধন অর্থনীতির মূলধারায় আনতে এ উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হবে, যেখানে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ আবাসন খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আসার জন্য চিন্তা করা হচ্ছে।
পূর্ববর্তী বাজেট পরিকল্পনার ইতিহাস
ফিরে আসতে পারে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ প্রথম দেওয়া হয় ১৯৭৫ সালে সামরিক আইনের অধীনে। এরপর বিভিন্ন সরকার সময়ে সময়ে এ সুবিধা অব্যাহত রাখে। সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭-০৮ ও ২০০৮-০৯ অর্থবছরে প্রায় ৯ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা বৈধ করেন। পরে ২০২০-২১ অর্থবছরে ১০ শতাংশ কর দিয়ে প্রায় ১১ হাজার ৮৩৯ জন বিনিয়োগকারী দেশে আনার সুযোগ দেওয়া হয়। তবে প্রাক-বাজেট আলোচনায় রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) ক্রেতাদের অর্থের উৎস নির্দেশ করা ছাড়া বিনিয়োগ করার সুযোগ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সমালোচনার মুখে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার।
ফিরে আসতে পারে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ আগামী বাজেটে বিনিয়োগ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে ফ্ল্যাট ও ভবন কেনার ক্ষেত্রে। এছাড়া এলাকাভেদে আয়তন অনুসারে নির্দিষ্ট করহারে কর দিয়ে বিনিয়োগকারীদের অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়। রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিনিয়োগে বেশি করহার আরোপ করার চিন্তা রয়েছে, যাতে কর ব্যবস্থার ন্যায্যতা বজায় থাকে। বিদেশে থাকা অপ্রদর্শিত সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিয়মিত করদাতাদের তুলনায় বেশি হারে কর দিয়ে সে প্রস্তাব বিবেচনার মধ্যে রয়েছে।
নীতি গ্রহণের মূল লক্ষ্য
ফিরে আসতে পারে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ এবার উৎপাদনশীল খাতে সীমিত সুযোগ দেওয়া হতে পারে। এনবিআর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে নির্দিষ্ট খাতে বিনিয়োগের সুযোগ দিয়ে অপ্রদর্শিত দেশীয় ও বিদেশি সম্পদ বৈধ করার প্রস্তাব প্রযোজ্য হতে পারে। কিন্তু এ ব্যবস্থা কর ফাঁকিদাতাদের পুরস্কৃত করতে নয়, বরং অপ্রদর্শিত ও অচল অর্থকে উৎপাদনশীল অর্থনীতিতে ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে কর ব্যবস্থার ন্যায্যতা বজায় রাখতে চায় সরকার। এ ক্ষেত্রে অর্থের উৎস, বিনিয়োগের ধরন ও ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে কর হার ভিন্ন হতে পারে। যেমন, �