ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক / স্বস্তির ঈদযাত্রায় বাধা ছয় লেন প্রকল্প
প্রকল্পের প্রগতি ও যাতায়াতে বাধা
ঢ ক স ল ট মহ সড়ক – ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয় লেন প্রকল্পটি এখনও পূর্ণ হয়নি। কাজের প্রকৃত সমাপ্তির সময় বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে ঈদুল আজহার পরিবহন প্রতিদিন আটকে থাকার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে যানবাহন চালানোর প্রক্রিয়া।
প্রতিদিনই যানজটে আটকে থাকতে হয়। রাস্তা চওড়া করার কাজের কারণে ধীরগতি। এটা কবে নাগাদ শেষ হবে কর্তৃপক্ষই ভালো জানে।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নির্মাণ কাজ কবে থেকে কাঁচপুর থেকে শুরু হয়ে নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার এবং সিলেট জেলায় সমাপ্ত হবে। প্রকল্পটি মোট ২০৯ কিলোমিটার প্রসারিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু কাজের ধীরগতিকে কারণ হিসেবে এখন পর্যন্ত চালকদের আটকে রেখেছে সড়কের নির্মাণ ব্যবস্থার প্রভাব।
বেঙ্গল পরিবহনের চালক রহমান আলী জানান, নির্মাণ কাজের ফলে দুই লিটার পর যানজট সৃষ্টি হয়। সাধারণত পাঁচ ঘন্টায় সিলেটে পৌঁছে যাওয়ার সময় এখন প্রতিদিন দশ ঘন্টা হয়ে যায়।
আল মোবারাকা পরিবহনের চালক আসাদুজ্জামান নুর বলেন, এই সড়কে নিয়মিত যানজট বর্তমান। বিশেষ করে কাঁচপুরের পর থেকে এই সমস্যার বৃদ্ধি হয়েছে।
উদ্যোগ ও কাজের সমাপ্তির আশা
প্রকল্পের উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. আব্দুল আজীম জানান, ঈদের ছুটি চালুর আগে এই কাজ বন্ধ করে দেবার পরিকল্পনা রয়েছে। যাত্রামুড়া ব্রিজ নির্মাণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সাথে সাথে যানজটের প্রবল চাপ কমে যাবে। সেই ব্রিজ ২৩ মে খুলে দেওয়া হবে।
আমরা ঈদের ছুটি চালুর আগেই এই কাজ বন্ধ করে দেবো। যাত্রামুড়া ব্রিজ নির্মাণের কারণে যে সমস্যাটি এর আগে ছিল, তার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। পাশাপাশি যানজট বাড়তে না বাড়তে আমরা সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রহিম জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লাঙ্গলবন্দ ব্রিজে অতিবৃষ্টির কারণে খানাখন্দ তৈরি হয়েছিল। এসব খানাখন্দ সংস্কার কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এখন এই মহাসড়কে কোনো খানাখন্দ নেই।
এসময় তিনি জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয় লেন প্রকল্পটি নারায়ণগঞ্জ সওজের হাতে নেই। সিলেট মহাসড়কের উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়টি আমাদের জানা নেই।