পদ্মা ব্যারেজ: ফারাক্কার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে ১৯ জেলা
পদ ম ব য র জ – ১৯৭৫ সালে ভারত পশ্চিমবঙ্গে ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণ করে গঙ্গার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সিদ্ধান্ত নেয়। এই ব্যারেজের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে পদ্মা নদীর প্রবাহ মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে যা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, ইছামতি ও বড়াল নদীগুলোকে শুকিয়ে ফেলেছে। এই অঞ্চলের ১৯টি জেলায় পানির স্তর কমে গেছে। কয়েক বছরে লবণাক্ততা দেখা গেছে এবং সুন্দরবনে কেওড়া গাছগুলো মরছে ফারাক্কার প্রভাবে।
১৯ জেলা বাঁচানোর লক্ষ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প আগে থেকে সরকারের সম্মুখিন হয়েছিল। এটি সার্বিকভাবে সামগ্রিক পানি সংকট দূর করতে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী ব্যবস্থা ও কৃষি উন্নয়নে স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই প্রকল্পের সময়সীমা জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ পর্যন্ত বিস্তারিত করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সভায় মোট ১৬টি প্রকল্প আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প দ্বিতীয় কার্যতালিকায় রাখা হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ও এ প্রকল্প উপস্থাপন করা হলেও অনুমোদন না পেয়েছিল।
প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয়
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি সার্বিক বিষয়ে বাস্তবায়নের জন্য ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পের অনুমোদন পেয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজের ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা ছিল প্রথম পর্যায়ে বাস্তবায়নের বৃহত্তর অনিশ্চয়তা বহন করে।
পরিকল্পনা বিভাগের সচি�