News

দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত রামিসা

দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত রামিসা দ দ দ দ র কবর র - মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ইউনিয়নে দাদা-দাদির কবরস্থানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছে

Desk News
Published May 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত রামিসা

দ দ দ দ র কবর র – মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ইউনিয়নে দাদা-দাদির কবরস্থানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছে রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকায় পাশবিক নির্যাতন ও হত্যার শিকার সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তার। শুক্রবার (২০ মে) রাতে জানাজা শেষে দাফন করা হয় ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্য শিয়ালদী গ্রামে মোল্লাবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে। এ ঘটনার প্রতি স্থানীয় সমাজে গভীর দুঃখ ও আশ্চর্য ভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

ঘটনার পর ঘটনা ঘটেছিল

রামিসার মরদেহ ঢাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামে আনা হয়। স্বজন এবং এলাকাবাসীদের কান্নার মধ্যে পুরো ইউনিয়নে শোকের ছায়া নেমে আসে। আত্মীয় ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে জানাজায় অংশ গ্রহণ করা হয়। রামিসার নিহত ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে পুলিশের হাতে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, গত সোমবার সকালে রামিসা বাড়ি থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী স্বপ্না আক্তার কৌশল করে শিশুটিকে তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। সকালে দুপুর পর্যন্ত তাকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবার খোঁজাখুঁজি করে। অভিযোগের ভিত্তিতে ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখা যায়। আটক করা হয় স্বপ্না আক্তারকে ফ্ল্যাট থেকে, কিন্তু সোহেল রানা গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রামিসা মধ্যম শিয়ালদী গ্রামের মরহুম হেলাল উদ্দিন মোল্লার ছেলে হান্নান মোল্লার মেয়ে। সে মিরপুরের পল্লবীর পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় সোহেল রানা, স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাতপরিচয় একজন আসামীকে আটক করা হয়। পুলিশের তদন্ন অব্যাহত রয়েছে পরিবার সদস্যদের প্রতি নির্যাতনের বিস্তারিত তথ্য আহরণে।

কবরের সাথে যুক্ত মনের কথা

এ ঘটনার প্রতি মোল্লাবাড়ি পরিবার তাদের দাদা-দাদির কবরের সাথে যুক্ত রাখার প্রস্তাব দিয়েছিল। মৃত শিশুটি সাত বছর বয়সে কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছে এ নিয়ে সমাজে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে। সারা দেশের মানুষ এ ঘটনার বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করে আসছেন।

রামিসা কবরে যাওয়ার পূর্বে তার দুর্দশা ঘটেছিল বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর। শিশুটি তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়ার পর দুপুর পর্যন্ত পরিবার তাকে খুঁজে পায় নি। সকালে দুপুরে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার বাবা কিছু তথ্য আঁকড়ে ধরেছিলেন। ফ্ল্যাটে স্বপ্না আক্তার নিয়ে যাওয়া পর দুপুরে রামিসা কে খুঁজে পাওয়া যায় নি।

ঘটনার প্রতিক্রিয়া ও গুরুত্ব

রামিসার মৃত্যু সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে সমাজের বিভিন্ন দিক থেকে। তার নিহত হওয়া পর পরিবার দুঃখে ভেঙে পড়েছে এবং শিশুটি দাদা-দাদির কবরের পাশে স্থান পেয়েছে। এ ঘটনায় দাদা-দাদির কবরের বিষয়টি আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে সামাজিক মাধ্যমে।

এ ঘটনার পর শিশুট

Leave a Comment