প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনে বর্জ্য সম্পর্কে প্রশাসকের বক্তব্য
ড এনস স প রশ সক ক – ঈদুল আজহা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান ঘোষণা করেন যে প্রধানমন্ত্রীর ঘুরতে থাকা রাস্তায় পড়ে ছিল বাসাবাড়ি থেকে ফেলা গৃহস্থালি ময়লা, কোরবানির বর্জ্য নয়। গতকাল শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি নিজে গাড়ি চালিয়ে হাতিরপুল ও ফার্মগেট সহ কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন এবং কিছু স্থানে বর্জ্য জমা হওয়া দেখে অসন্তুষ্ট হন।
আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের বরখাস্ত প্রক্রিয়া
পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঘোষণা করেন যে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে অবহেলার অভিযোগে এই দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বরখাস্ত করা হয়েছে ডিএনসিসির (জোন-৫) আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান (উপসচিব) ও ডিএসসিসির (জোন-১) আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজির (উপসচিব)।
প্রধানমন্ত্রী যে রাস্তা দিয়ে গিয়েছিলেন সেখানে কিছু বর্জ্য ছিল। তবে সেই বর্জ্য কোরবানির নয়, বাসাবাড়ির গৃহস্থালি বর্জ্য ছিল। সেই কারণে তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপাতত তাদের ক্লোজ করা হয়েছে।
বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের প্রোগ্রাম
প্রশাসক জানান, কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে ৭২ ঘণ্টার একটি পরিকল্পনার ভিত্তিতে। ঈদের প্রথম তিন দিনে (শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত) মোট ১৮ হাজার ৩৪৪ টন বর্জ্য ল্যান্ডফিলে বিতরণ করা হয়েছে। প্রথম দিন তাদের ট্রিপ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮৮২টি এবং বর্জ্য পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৭৬৬ দশমিক ৪৮ টন। দ্বিতীয় দিনে ট্রিপ সংখ্যা ১ হাজার ৫৮৩টি ও বর্জ্য পরিমাণ ৬ হাজার ৭১৪ দশমিক শূন্য ৩ টন ছিল। তৃতীয় দিনে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ট্রিপ সংখ্যা ৮২৭টি এবং বর্জ্য পরিমাণ ৩ হাজার ৫৫৩ টন।
মেট্রোরেল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো তথ্যের আরোপ
এ সময় মেট্রোরেল নিয়ে ছড়ানো কিছু তথ্যকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেন প্রশাসক। তিনি বলেন, �