News

জলবায়ু সংকটে সবচেয়ে ঝুঁকিতে আদিবাসী নারীরা: গবেষণা

og_1779719785_6a145e69b1dc5

আদিবাসী নারীদের জলবায়ু সংকটে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি রয়েছে: গবেষণার ফলাফল

Bangladailypost.com – জলব য় স কট সবচ য় ঝ – ইউনেস্কো-পরিচালিত ‘ইয়ুথ অ্যাজ রিসার্চার্স (ইয়ার): ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ’ গবেষণায় জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশগত ধ্বংস, বন উজাড়, একক ফসলভিত্তিক বাগান বিস্তার ও প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ সহ মানবসৃষ্ট কার্যক্রমগুলি পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর তীব্র চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। সোমবার (২৫ মে) ঢাকায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় গবেষণার প্রধান ফলাফল তুলে ধরা হয়।

পরিচালক ও অংশগ্রহণকারীরা

সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজ এবং চাকমা সার্কেলের ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন নীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, উন্নয়ন সহযোগী, আদিবাসী নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও কমিউনিটির সদস্যরা।

গবেষণার ফলাফলে উঠে আসে যে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন, জীবিকা ও সাংস্কৃতিক প্রথাগুলি প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের সাথে গভীরভাবে জড়িত। তারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতি অধিক সামনে আসছেন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে আদিবাসী নারীদের ক্ষেত্রে সম্পদের অধিকার ও সুশীল সমাজে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কম অংশগ্রহণের কারণে তারা বেশি প্রভাব বহন করছেন।

তরুণ গবেষণা দলগুলি

গবেষণায় অংশ নেয় চাকমা, মারমা, ম্রো, ত্রিপুরা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের পাঁচটি তরুণ দল। প্রতিটি দল নিজ নিজ সম্প্রদায়ে মাঠপর্যায়ে কমিউনিটি কেন্দ্রিক গবেষণা করে। চাকমা দল রাঙামাটি নিয়ে জলবায়ু অভিযোজন পদ্ধতি বিশ্লেষণ করে। মারমা দল ঐতিহ্যবাহী টিকে থাকার প্রণালী ও বর্তমান অভিযোজন চ্যালেঞ্জ নথিভুক্ত করে।

ম্রো দল প্লুং নামের বাদ্যযন্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক সম্পদের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও সাংস্কৃতিক অর্থ পরিচালন করে। ত্রিপুরা দল আদিবাসী নারীদের প্রতি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও অভিযোজন কৌশল নিয়ে গবেষণা চালায়। তঞ্চঙ্গ্যা দল পাথর উত্তোলন এবং রাবার ও সেগুন বাগান বিস্তারের কারণে সৃষ্ট পানি সংকট বিশ্লেষণ করে।

‘ইয়ুথ অ্যাজ রিসার্চার্স’ উদ্যোগটি ইউনেস্কোর বৈশ্বিক কাঠামোর অংশ। এটি বাংলাদেশে আদিবাসী তরুণদের গবেষণা, জলবায়ু সম্পর্কে অ্যাডভোকেসি এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততার মাধ্যমে নেতৃত্ব বিকাশ করছে।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই উদ্যোগের প্রারম্ভ হয় আদিবাসী ভাষার ব্যবহার ও সংরক্ষণ সম্পর্কে জাতীয় পরামর্শ সভার মাধ্যমে। সেই আলোচনায় সামাজিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জে স্থানীয় জ্ঞানব্যবস্থার গুরুত্ব উঠে আসে। পরবর্তীতে ২৫ জন তরুণ গবেষক গবেষণা পদ্ধতি, নৈতিক দিকগুলি, তথ্য সংগ্রহ এবং কমিউনিটি ভিত্তিক গবেষণা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

এরপর কয়েক মাস ধরে তারা �

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *