শুভেন্দু অধিকারী: জয় বাংলা স্লোগানের প্রতি নিয়ম নিয়ন্ত্রণ প্রতিশ্রুতি দেন
জয ব ল স ল গ ন – পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার (১৬ মে) ফলতা বিধানসভা পুনর্নির্বাচনের প্রচার কার্যক্রমে কোনও ছাড় প্রদানের প্রতি নিয়ন্ত্রণ প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি ঘোষণা করেন যে সিলেবার কাজ শুরু হওয়ার পর নিয়ম বাজে করা হবে এবং তা সকল স্তরের মানুষের জন্য পরিষ্কার। এ বিষয়ে তিনি বলেন, জয় বাংলা স্লোগান দিলে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না, কারণ তা সত্যিকার নির্বাচন নিয়ন্ত্রণের জন্য জরুরি বিষয়।
অভিযোগগুলির উত্তরে কঠোর পদক্ষেপ
অধিকারী প্রধানমন্ত্রীর আবাসের বাড়ি, আম্ফানের টাকা এবং কৃষাণ সম্মান নিধির মাধ্যমে সামগ্রিক ক্ষমতার দিকে নজর রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, যদি কোনও ছাড় নেওয়া হয় বা ডকুমেন্ট পাওয়া যায়, তবে তা সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্নী করা হবে। সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে এসেছে যেন শৌচালয়, পিএম কৃষাণ সম্মান নিধি, বিধবা ভাতা এবং বার্ধক্য ভাতা ক্ষেত্রে সত্যিকারো পর্যবেক্ষন বজায় রাখা হয়।
এই ঘোষণা অনুপ্রবেশকারীদের ক্ষমতার দিকে নজর রাখার জন্য একটি প্রতিশ্রুতি হিসাবে বিবেচিত হয়। তিনি জানান যে পূর্বের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তাঁর কথায়, জনসংখ্যা গণনা কাজ আটকে রাখা হয়েছিল যা এখন ফের চালু করা হয়েছে। ফলতা ভোটকেন্দ্রে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত এ বিষয়ে রিপোর্ট করেন যে বুথে অনিয়ম এবং ইভিএম সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিয়েছিল।
তিনি আরও জানান যে নির্বাচনের দিন সকালেই টেপ লাগিয়ে সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এমন বুথগুলো দেখা গেছে। এ অভিযোগের ফলে ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। এখন সামগ্রিক পরিবেশে বাংলাদেশের জয় বাংলা স্লোগান বলে সকল স্তরের বিশ্বাস বজায় রাখার জন্য তিনি জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছেন।
ছাড় দিলে জনগণের ভোট সুনির্দিষ্ট হবে বলে ধারণা
প্রতিশ্রুতি বিষয়ে তিনি জানান যে বিশেষ করে শ্রমিক এবং কৃষকদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া জনগণের জন্য জনসম্মতি বাড়াতে পারে। তিনি জানান, সিএএ আওতায় থাকবে শরণার্থীরা এবং বিএসএফ ক্ষেত্রে জমি হস্তান্তর চলছে। তাঁর মতে ছাড় দিলে প্রতিটি নির্বাচনী ঘটনা সুনির্দিষ্ট হবে বলে ধারণা করা হয়।
জয় বাংলা স্লোগান সম্পর্কে কমিশন নির্বাচন কার্যক্রমে গুরুত্ব দিচ্ছে যেহেতু সেটি কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতি আস্থা বজায় রাখার জন্য নিয়ম গুলি প্রয়োগ করা হয়। কার্যক্রমে এ স্লোগান এবং সত্যিকারো পর্যবেক্ষন দ্বারা স্পষ্ট বুঝানো হচ্ছে যে নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ভাবে চালু করা হয়েছে। এটি জয় বাংলা কর্মসূচি কর্তৃক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন পূর্বে সিসি ক্যামেরা কার্যক্রম পরিচালনা করেছিল। তাঁদের মতে প্রতিটি বুথে ইভিএম এবং টেপ দ্বারা পরিচালিত হয়ে