News

গণতন্ত্র তুমি কার

আমাদের গণতন্ত্র কার জন্য কাজ করে? গণতন ত র ত ম ক র - মানুষের মৌলিক অধিকার অস্থির হয়ে ওঠার পরিণতি হলো গণতন্ত্রের ক্ষমতার ধূমপান। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান

Desk News
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

আমাদের গণতন্ত্র কার জন্য কাজ করে?

গণতন ত র ত ম ক র – মানুষের মৌলিক অধিকার অস্থির হয়ে ওঠার পরিণতি হলো গণতন্ত্রের ক্ষমতার ধূমপান। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং শিক্ষা পাঁচটি অধিকার যে যুগের পর যুগ ধরে জনগণের আশার ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু আজ এই অধিকার সম্পূর্ণ করে প্রদান করা হয় না, এমন কোটি কোটি মানুষ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে।

অনুপাত হচ্ছে, এই প্রতিশ্রুতির দায়িত্ব কে গ্রহণ করেছিল? কার কাছে মানুষের স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল? সেই দলিল কোথায়, কে রক্ষা করছে এবং তার কার্যকারিতা কোথায়? গণতন্ত্রকে আরও উপস্থাপন করা হয়েছে এমন ভাবে যেন এটি চূড়ান্ত সমাধান বলে মনে হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো গণতন্ত্র কোনো অলৌকিক শক্তি নয়। এটি কাঠামো মাত্র, যখন মানুষের বিবেক, সততা ও দায়িত্ববোধ সক্রিয় থাকে তখনই কার্যকর হয়।

আজকার সমাজে দুর্নীতি ব্যবস্থার সম্মুখে আসে এবং ক্ষমতা মানুষের ওপর দাঁড়ায়। ফলে ভোট থাকে কিন্তু মানুষের মর্যাদা থাকে না। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ভাষণ অর্থহীন, চিকিৎসাহীন কাছে আন্তর্জাতিক সনদ শুধু কাগজের রক্ষণশীলতা হয়ে ওঠে।

ইতিহাস সাক্ষী, ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করা হয়েছে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য। কখনো ধর্মের নামে, কখনো রাজতন্ত্রের নামে, কখনো মতাদর্শের নামে এবং কখনো গণতন্ত্রের নামে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষের মুক্তি তৈরি হয় না যদি তার মানসিকতার গভীরে দাসত্ব লুকিয়ে থাকে।

‘গোলাম’ মানসিকতা নিয়ে কোনো জাতি কখনো মুক্ত হতে পারে না। নামের আগে, চিন্তার ভিতরে কিংবা মানসিকতার গভীরে যদি দাসত্ব লুকিয়ে থাকে, তাহলে স্বাধীনতার স্লোগান দিয়েও মুক্তি আসবে না।

গণতন্ত্র কাগজের শব্দ হবে না, মানুষের জীবনের বাস্তবতা হবে

বিচারহীন রাষ্ট্রকে লাল কার্ড দেখানোর উপযুক্ত সময় এখন আমাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। কারণ বিচার আসে শেষ পর্যন্ত কোথাও না কোথাও এবং সেই বিচার মানুষের জীবনের মূল্য নিশ্চিত করতে পারে না যদি মানুষ নিজের দায়িত্ব নিতে শিখে না।

বাংলাদেশ এখন শুধু রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক সংকটে নেই, বরং একটি গভীর মানসিক সংকটে চলছে। মানুষের আস্থা ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে রাষ্ট্রের প্রতি। কিন্তু একটি রাষ্ট্র যখন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তখন তার আনুগত্য দাবি করার নৈতিক অধিকার কোথায় পাওয়া যাবে?

যখন একটি শিশুর মৃত্যুর পর তার বাবাই প্রকাশ্যে বলে বসেন, ‘আমি বিচার চাই না, কারণ বিচার হবে না’, তখন বুঝতে হয় শুধু পরিবার নয়, রাষ্ট্রের ভিত কেঁপে উঠেছে। রামিসারের মৃত্যু তাই শুধু একটি পরিবারের ট্র্যাজেডি নয়, বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার মুখে একটি গভীর অনাস্থা প্রতীক।

আজ মানুষ আদালতের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচার খোঁজে, পুলিশের আ

Leave a Comment