News

ঈদের আনন্দকে পূর্ণতা দিতে মাংসের হাটে

ঈদের আনন্দকে পূর্ণতা দিতে মাংসের হাটে ঈদ র আনন দক প র ণত - ঈদ উপলক্ষে আনন্দ পূর্ণ করতে মাংসের এক হাটে দাঁড়িয়ে দীন ইসলাম একটি পলিথিন ব্যাগে সলিড মাংস বিক্রি

Desk News
Published May 28, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ঈদের আনন্দকে পূর্ণতা দিতে মাংসের হাটে

ঈদ র আনন দক প র ণত – ঈদ উপলক্ষে আনন্দ পূর্ণ করতে মাংসের এক হাটে দাঁড়িয়ে দীন ইসলাম একটি পলিথিন ব্যাগে সলিড মাংস বিক্রি করছিলেন। সন্ধ্যার পরামর্শে তার কথাগুলো আওড়াচ্ছিলেন। সেখানে আবেগ পূর্ণ ভিড় ছিল। প্রতিটি ক্রেতার মুখে মাংস বিক্রির আকাঙ্ক্ষা ছিল।

মার্কেটে দাঁড়িয়ে ছিলেন দীন ইসলাম। তার সামনে একটি বড় ব্যাগ রাখা হয়েছিল। কয়েকজন ক্রেতা তার পাশে দাঁড়িয়েছিল। অপেক্ষা করছিলেন কেউ কেউ। যে কারণে তিনি অটল হয়েছিলেন একটি কথা বলেন।

‘সারাদিন বাড়ি বাড়ি ঘুইরা মাংস টোকাইছি। এইবার মনে হয় কোরবানি কম হইছে। মানুষ এক-দুই টুকরার বেশি দেয় না। যা পাইছি তা থাইকা বাছাই করার পর সলিড পাঁচ কেজি মাংস হইছে। এ কারণে এক টাকা কমাইয়া বেচুম না।’

আজিমপুর কবরস্থান-সংলগ্ন সড়কে তীব্র যানজট দেখে কারণ জানতে সামনে এগোতেই চোখে পড়েছিল দীন ইসলামের মাংস বিক্রির এই দৃশ্য। সেখানে কথা হয় আরেক ক্রেতার সঙ্গে। কিছুটা আক্ষেপ নিয়েই তিনি বলেন, ‘সারাবছর মাংস খাওয়ার সামর্থ্য হয় না। কোরবানির ঈদের দিন যদি একটু মাংস না খাওয়াই তবে বাচ্চাদের মুখটা ছোট হয়ে থাকবে। এখান থেকে অল্প করে কিনলাম। অন্তত ঈদের রাতে পোলাও না হলেও ভাতের সঙ্গে একটু মাংস জুটবে।’

হাটে কথা হয় নার্গিস আক্তার নামের এক গৃহবধূর সঙ্গে। তিনি জানান, তার স্বামী তিন বছর আগে মারা গেছেন। বাসাবাড়িতে কাজ করে কোনোমতে সংসার চালান। ঈদের দিন সন্তানদের মুখে একটু মাংস তুলে দেওয়ার আশাতেই তিনি এসেছেন এই বাজারে।

বিক্রেতাদের ভাষ্যমতে, সারাদিন কষ্ট করে মানুষের কাছ থেকে সংগ্রহ করা মাংস এক জায়গায় করে তারা কিছু টাকা পাওয়ার চেষ্টা করেন, যাতে সংসারের দৈনন্দিন খরচ মেটানো যায়। অন্যদিকে যারা কিনতে আসছেন তারা বাজারের তুলনায় কম দামে কিংবা অল্প পরিমাণে মাংস কেনার সুযোগ খুঁজছিলেন। বিক্রির দাম মিলে গেলেই দেরি না করে মেশিনে মাংস মেপে দাম পরিশোধ করে চলে যাচ্ছিলেন ক্রেতারা। মানভেদে প্রতি কেজির দাম হাঁকা হচ্ছিল ৬০০ থেকে এক হাজার টাকা।

Leave a Comment