ঈদযাত্রার শেষ সময়ে বাস-লঞ্চে স্বস্তি, ট্রেনে উপচেপড়া ভিড়
ঈদয ত র র শ ষ সময় – ঈদযাত্রার শেষ সময়ে বাস ও লঞ্চের পরিবহনে কম যাত্রী ভিড় নজরে পড়েছে, যা মুসলমান পরিবারগুলোর জন্য একটি উপকারী সুযোগ হিসেবে কাজ করেছে। ঈদুল আজহা উৎসব রাত পোহালে শেষ হবে, যেখানে প্রতিবছর বিশাল সংখ্যক মানুষ বাড়ি চলে আসেন। এ সময় গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালে ভিড় কম হওয়ার কারণে যাত্রীদের জন্য প্রতিদিন পরিবহনে স্বস্তি আসে। তবে বৃষ্টির কারণে সকালে গ্রামের বাড়ি যাওয়া যাত্রীদের প্রায় সমস্যা হয়েছে বলে জানান জাগো নিউজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাইফুল হক মিঠু। তিনি আরও বলেন, এ সময় কয়েকজন যাত্রী লঞ্চে ভাড়া আদায়ের জন্য অভিযোগ করেছেন যে পরিবহনে বিশেষ করে ঈদযাত্রার শেষ সময়ে ক্ষমতা বাড়িয়েছে।
অন্যদিকে কমলাপুর ট্রেন স্টেশনে ঈদযাত্রার শেষ সময়ে যাত্রীদের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সমস্যা তখনও চালু আছে। গত রোববার (২৪ মে) থেকে এখন পর্যন্ত কয়েকজন যাত্রী অভিযোগ করেছেন যে তাদের কাছ থেকে ঈদযাত্রার শেষ সময়ে ভাড়া বাড়িয়েছেন পরিবহনকারীরা। তিনি আরও জানান, টিকিট না পাওয়ায় অনেকে বৃষ্টির মধ্যে ট্রেনের ছাদে চেপে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ট্রেনে উপচে পড়া ভিড় কমেছে বলে জানান যাত্রীদের কিছু সাক্ষাতকারী।
মহাখালী বাস টার্মিনাল
ঈদযাত্রার শেষ সময়ে মহাখালী বাস টার্মিনালে যাত্রীদের প্রবাহ কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। অধিকাংশ কাউন্টার ফাঁকা ছিল, যা সংকট হ্রাস করেছে। সাইফুল হক মিঠু বলেন, এ সময় প্রতিবেদকদের দেখা গেছে যে পরিবহন সুবিধা বিস্তারের কারণে সাধারণ যাত্রীদের প্রবাহ স্থিতিশীল হয়েছে। কেউ কাঁধে ব্যাগ, কেউ হাতে শিশুদের খেলনা নিয়ে বাড়ি চলে আসেন। স্বাভাবিক পরিবেশে পরিবহনের ক্ষমতা বাড়ানোর ফলে ঈদযাত্রার শেষ সময়ে প্রতিদিন সমস্যার বিষয়টি কমে গেছে।
যাত্রাবাড়ী এলাকা
ঈদযাত্রার শেষ সময়ে সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় যাত্রীদের চাপ কিছুটা কমেছে, যেখানে প্রতিবেদকদের দেখা গেছে বেশিরভাগ যাত্রী অপেক্ষা করছেন। কিছু যাত্রী বলেন, তাদের কাছ থেকে ঈদযাত্রার শেষ সময়ে বেশি ভাড়া নেওয়া হয়েছে বৃষ্টির কারণে। তবে কম যাত্রী দেখা গেছে যে বাস ও লঞ্চে পরিবহনের ক্ষমতা বাড়িয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে যে পরিবহনে ভিড় কমার কারণে অনেকে ট্রেনের বিকল্প বাস ও লঞ্চ ব্যবহার করছেন।
ঈদযাত্রার শেষ সময়ে সেনাবাগানে ভিড় কমে গেছে যাত্রীদের জন্য। যাত্রীদের সংখ্যা স্থায়ী হওয়ার সাথে সাথে ট্রেনের স্থানে বাস ও লঞ্চ চালু করা হয়েছে। সূত্র থেকে জানানো হয়েছে যে পরিবহনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে বিশেষ করে ঈদযাত্রার শেষ সময়ে মানুষের ঘন ঘন বাড়ি যাওয়ার কারণে। বৃষ্টির প্রভাবে �