Article

ঈদ যাত্রায় হামের সংক্রমণ থেকে বাঁচার উপায়

og_1779890987_6a16fb2b634c9

ঈদ যাত্রায় হামের সংক্রমণ থেকে বাঁচার উপায়

Bangladailypost.com – ঈদ য ত র য হ ম – ঈদ হলো পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের আনন্দের সময়। বছরের পরিশ্রম শেষে মানুষ সাধারণত বাড়িতে ফেরে। কিন্তু এবারের ঈদে এই স্বাচ্ছন্দ প্রকৃতপক্ষে আতঙ্কের মূল হয়ে উঠেছে—হাম। দেশজুড়ে সংক্রমণ তার প্রসার হাসিল করেছে প্রায় ৭২ দিনে ৫৫৫ জন মৃত্যুর পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে সরকারি হিসাব। আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৭৫ হাজার। গণপরিবহনে জনসাধারণের ঢল নামলে হামের সংক্রমণও তার সাথে ছড়িয়ে পড়ছে।

সংক্রমণের মধ্যে অনেক বড় ঝুঁকি শিশুদের প্রতি পড়েছে। গত কয়েক মাসে হাম ও এর উপসর্গে শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। যেখানে সাধারণ চিকিৎসায় কোথাও সমস্যা নেই, সেখানে হাম হাসপাতালে ভর্তি করছে হাজার হাজার শিশু। পরিবারে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে উঠেছে।

একজন বেসরকারি চাকরিজীবী সানাউল্লাহ তাঁর দুই সন্তান নিয়ে গ্রামে যাওয়ার সময় সংক্রমণ প্রতিরোধে কোনো পদক্ষেপ দেখা গেল না। সামাজিক সচেতনতা বা জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার কার্যকারিতা খুব কম। তাঁর অভিজ্ঞতা এ দেশের কোটি মানুষের সত্য।

প্রতিদিন নতুন করে শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে। হাম সাধারণ ভাইরাস নয়, এটি ছোঁয়াচে ও বিপাক ঘটাতে পারে। কাশি বা হাঁচি মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ায়। যেখানে একটি লঞ্চ বা বাস কয়েক ঘন্টায় ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। সুতরাং জনস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিটি ভ্রমণ খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রথম কাজ হলো টিকা নিশ্চিত করা। যারা হাম–রুবেলা টিকা সম্পূর্ণ হয়েছে, তাদের অবশ্যই টিকা দিতে হবে। এটি ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ঈদের আগে যেসব এলাকায় কর্মসূচি চলছে, সেখানে অভিভাবকদের সক্রিয় হওয়া জরুরি।

দ্বিতীয়ত, অসুস্থ শিশু নিয়ে ভ্রমণ বন্ধ করা উচিত। শিশুর হামে সাধারণ সমস্যা বলে মনে হয় তবু পুরো যাত্রাপথে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। জ্বর বা কাশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা যেতে হবে।

তৃতীয়ত, গণপরিবহনে সুরক্ষা প্রয়োজন। ছোট শিশুদের ভিড়ের মধ্যে ঘোরাঘুরি কমানো এবং মাস্ক ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। হাম ছোঁয়াচে ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সুতরাং হাতের পরিচ্ছন্নতা অন্য রোগ প্রতিরোধেও সহায়তা করে।

চতুর্থত, ভ্রমণের সময় খাবার ও পানির পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা দরকার। হাম আক্রান্ত শিশুদের বড় সমস্যা হলো অপুষ্টি ও পানিশূন্যতা। তাই স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

যাদের কাছে সতর্কতা নেই তাদের জন্য প্রতিটি কাজ ব্যক্তিগত ভাবে সম্পন্ন হয়ে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *