চর কানাপাড়া ঈদগাহে উত্তেজনা বর্তমানে বিস্তার লাভ করছে
ইম মক ক ন দ র কর – রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে ইমামকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের আশঙ্কা বর্তমানে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি করছে। পবিত্র ঈদুল আযহার উপস্থিতির আগে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ দুই পক্ষে বিভক্ত করে রেখেছে। অভিযোগ হচ্ছে, ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ বিষয়ে স্থানীয়দের বিতর্ক আগে থেকে চলছিল।
ঈদগাহ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে কর্মরত থাকার সাথে সাথে মাজহারুল উলুম ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি গত ১৫ বছর ধরে এই এলাকার মানুষের জন্য নামাজ পড়ছেন। কিন্তু রাজনৈতিক বিষয়টিকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন মুসলমান তার পেছনে নামাজ আদায় করতে চাইছেন।
গত ঈদুল আজহারে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল
গত ঈদুল আজহার পবিত্র অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। নামাজ শেষে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সমাধানের জন্য এলাকার মানুষ পৃথক উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু তা কার্যকর হয়নি।
পিয়ারুল ইসলাম বলেন, এখন দুটি জামাত আয়োজন হবে। মোহাম্মদ উল্লাহর অনুসারীদের সাথে সকাল সাড়ে ৭টায় একটি জামাত আয়োজন হবে, আমরা সাড়ে ৮টায় আরেকটি জামাতে নামাজ পড়ব। এ ব্যবস্থা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ইমামের সমর্থক প্রফেসর সানাউল্লাহ বলেন, একটি পক্ষ রাজনৈতিকভাবে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যাচ্ছে। তারা মাদরাসা দখলের উদ্দেশ্যে ইমামকে সরাতে চাইছেন। কিন্তু আগে থেকে আওয়ামী লীগের মানুষদের নামাজ পড়ানো হয়েছিল।
ঈদগাহ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ দাবি জানান, আমাকে আওয়ামী লীগের লোক হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু আমি কখনো কোন রাজনৈতিক দলের মিছিল-মিটিংয়ে জড়িত ছিলাম না। আমি ইমাম হিসেবে সবার সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোদাগাড়ী সহকারী কমিশনার ম�