আরাফাতের ময়দানে হজ পালনকারীদের মিলন: আর ফ ত র ময়দান এক ঐতিহ্যের স্মারক
আর ফ ত র ময়দ ন সমব – মঙ্গলবার (২৬ মে) আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন আর ফ ত র ময়দানে হজ পালনকারীদের মধ্যে আরেক অপরূপ আসর। সৌদি প্রেস এজেন্সি কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আর ফ ত র ময়দান মুসলমানদের জন্য একটি ঐতিহ্যপূর্ণ স্থান হিসেবে পরিচিত। ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী, আরাফাতের দিনটি হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও আধ্যাত্মিক পর্ব হিসেবে পরিচিত। এই দিনে আর ফ ত র ময়দানে হাজিরা সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করে ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত ও জিকিরে সময় কাটান। আর ফ ত র ময়দানের স্থান অর্থ হল পবিত্র হজ যাত্রার সমাপনের ক্ষুদ্র ময়দান যেখানে মুসলমানরা আত্মশুদ্ধি ও ক্ষমা চাওয়ার জন্য একত্রিত হন।
তীব্র গরম ও সম্প্রসারিত কর্মপ্রণালী
পবিত্র আর ফ ত র ময়দানে দুপুরে হাজিরা তালবিয়া ও তাকবিরে মুখর হয়ে ওঠে। এই প্রান্তরে তারা সংখ্যালঘু হাজিরা বিদায়ী ভাষণের স্মৃতি স্থাপন করে। ইতিহাস অনুযায়ী, মুহাম্মদ (সা.) এখানে তার ঐতিহাসিক বিদায়ী ভাষণ দেন যা ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানুষের সম্পদের মর্যাদা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত দিকনির্দেশনা দেয়। আর ফ ত র ময়দানে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ হাজিরা পর্যাপ্ত পানি ও রোদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন। আর ফ ত র ময়দানে সমবেত হয়েছেন ১৬ লাখের বেশি হজ পালনকারী যারা মিনায় সম্প্রসারিত কর্মপ্রণালীর আগে আরাফাতে উপস্থিত হন।
আর ফ ত র ময়দানে প্রতি বছর বিশ্ব মুসলমানরা নিজ নিজ ঐতিহ্য ও বিশ্বাস নিয়ে মিলন করেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ হাজিরা নিরাপত্তা ও চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এতে বিশেষ ভাবে উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা এবং জরুরি সহায়তা ব্যবস্থার ব্যবহার হয়। আর ফ ত র ময়দান হতে হাজিরা মুয়দালিফার দিকে রওনা হয় যেখানে তারা মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করেন এবং রাতে নিশ্চুপ হয়ে থাকেন।
আরাফাতের ময়দান হচ্ছে হজ যাত্রার সাথে যুক্ত একটি ঐতিহ্যপূর্ণ স্থান। মুহাম্মদ (সা.) এর বিদায়ী ভাষণের পর হাজিরা সাধারণত মিনায় প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ করার জন্য যায়। আর ফ ত র ময়দান থেকে হাজিরা এটি করতে সুবিধাপূর্বক পৌঁছে যান। হজ যাত্রার চরম সমাপন হিসেবে