স্বাস্থ্যখাত অটোমেশনে পা রেখেছে সরকার
অট ম শন হচ ছ স ব – বিভিন্ন সমস্যা স্বাস্থ্য খাতে স্থায়ী হয়ে রয়েছে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্নীতি, নগদ লেনদেনের অস্বচ্ছতা ও রোগী চিকিৎসা ইতিহাস রেকর্ড করার দুর্বলতা মোকাবিলার জন্য সরকার সম্পূর্ণ ডিজিটাল কাঠামোয় সেবা পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কার্যকর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, প্রেসক্রিপশন ও রোগী রেফারেল একটি একক প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত করে ডিজিটাল হেলথ ম্যানেজমেন্ট চালু করার পরিকল্পনা চলছে। এ বিষয়ে বিএনপির নির্বাচন ইশতেহারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন চালু হলে কতটা পরিবর্তন আসবে?
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল অনুবিভাগ) মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘ই-প্রেসক্রিপশন চালু নিয়ে আমরা কাজ করছি। সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীর সব তথ্য ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকবে। কোনও রোগী যে কোনও হাসপাতালে চিকিৎসা পেলে তার আগের ইতিহাস সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে।’
‘এখন রোগীর কাগজপত্র অনেক সময় হারিয়ে যায়। অটোমেশন চালু হলে সেই সমস্যা দূর হবে।’
জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউটে অসুস্থ শিশু ও অভিভাবকদের ভিড় স্বাস্থ্যখাত বিশ্লেষকদের মতে, ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সমস্যার কারণে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন অডিট চালু হলে চিকিৎসায় ডাটা-ড্রিভেন মনিটরিং প্রবর্তিত হবে।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চিকিৎসকদের আয় ও রোগী দেখার সংখ্যা ডিজিটাল মাধ্যমে রেকর্ড করা হবে। এনআইডির মতো একটি ইউনিক স্বাস্থ্য পরিচিতি নম্বর রোগীদের সেবা পরিচালনার সময় ব্যবহার করা হবে। ফলে অপরিকল্পিত ব্যবহার ও ভুল তথ্য দূর হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রেসক্রিপশন অডিট চালু হলে চিকিৎসকদের প্রকৃত আয় ও ওষুধ ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী চিকিৎসা করতে আন্তর্জাতিক গাইডলাইন অনুসরণ করা হবে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
প্রেসক্রিপশন ও ওষুধ ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ ডিজিটাল করতে জাতীয় ই-প্রেসক্রিপশন ব্যবস্থা চালু করা হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন অডিট চালু হলে চিকিৎসায় একটি ‘ডাটা-ড্রিভেন মনিটরিং’ প্রবর্তন হবে। রোগীদের স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশ পর্যায়ে বাস্তবায়ন সক্ষমতা বা�