হাদি হত্যা নিয়ে মমতার বিস্ফোরক দাবিতে কি চাপে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক?
হ দ হত য ন য় মমত – পশ্চিমবঙ্গের আগের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী সম্পর্কে বাংলাদেশের আলোচিত ছাত্রনেতা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বিষয়ে আরেকটি বিস্ফোরক মন্তব্য দেওয়ার ফলে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিতর্ক আবার তীব্র হয়ে আসে। এ মন্তব্যটি ঢাকা ও নয়াদিল্লির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে সামনে এসেছে, যখন দুই দেশ আঞ্চলিক পরিবর্তন এবং নিরাপত্তা সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
মমতা ব্যানার্জী দাবি করেন, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তার নিকট হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছিলেন। এটি কলকাতায় একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে জানানো হয়েছিল, যেখানে এ মন্তব্য আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। কারণ, এতে হাদি হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের সম্পর্কে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য ছিল থাকার সম্ভাবনা জানা যায়।
অন্যদিকে, অভিযোগটি সত্য না হলে তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও জটিল করতে পারে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ বিদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মন্তব্যের ভিত্তিতে নীতি নির্ধারণ করে না। তার মতে, সম্পর্ক সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
তিনি দাবি করেন, তাকে এ মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু তথ্য প্রকাশ না করতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল।
হাদি হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছিল। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ঘটনার পর বিচার দাবি ও রাজনৈতিক প্রতিবাদের ধারার উত্থান ঘটে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক আলোচনার ধারা বদলে দেয় এবং নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলে।
হাদি বাংলাদেশের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি প্রতীক হিসেবে পরিচিত হন। তার মৃত্যু শুধু হত্যাকাণ্ড নয়, বরং একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রতীকে পরিণত হয়। এ কারণে মামলার তদন্ত রাষ্ট্রের বিচার নিশ্চিত করার সক্ষমতার এক বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা