হাট থেকে গরু চুরি, আর কোনো দিন ঢাকায় আসবেন না ব্যাপারি সেলিম
হ ট থ ক গর চ র – ঈদুল আজহারের আগে এক সপ্তাহ আগে মোহাম্মদ সেলিম রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার শনিরআখড়া হাটে আসেন, যেখানে তিনি ১০টি গরু নিয়ে আসেন লাভের স্বপ্নে বিভোর হয়ে। কিন্তু তার পর কয়েক দিনে বিক্রি করতে পেরেছেন কেবল চারটি গরু।
সেলিম জাগো নিউজকে বলেন, “ঘটনার রাতে ঝিমুনি আসায় ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সঙ্গে দুজন কী কারণে বমি করেছিল। তারাও অসুস্থ হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল। ওই সুযোগে কখন যে গরুটি নিয়ে গেলো টেরই পাইনি। অনেক চেষ্টা করেও কোনো হদিস মিললো না। হাট কর্তৃপক্ষকে বললাম গরুটির সন্ধান করতে। কিন্তু তারা শুধু মাইকে ঘোষণা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেছে।”
বিক্রির ক্ষতি কাটিয়ে হাট থেকে অপসারণ হয়েছে
ঈদের দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে শনিরআখড়া হাটে দেখা মিলে। সেখানে আশপাশ খালি হয়ে আসছিল। রাস্তার পাশে কর্তৃপক্ষের প্রস্তুত করা নির্দিষ্ট স্থানে ট্রাক রেখে তিনি অবিক্রিত পাঁচটি গরু তুলছিলেন। তিনি বলেন, “এর চেয়েও বড় ক্ষতি হয়ে গেছে তার। গরু হারিয়ে এখন শুধুই লস আর লস।”
গত মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে হাট থেকে তার দুই লাখ ৮০ টাকার গরু চুরি হয়ে যায়। এই দুঃখ মনে নিয়েই রাজধানীকে বিদায় জানাচ্ছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “তারা (হাট কর্তৃপক্ষ) বারবার মাইকে বলছে, হাসিল ছাড়া কোনো গরু বিক্রি যেন না হয়। আমরা তো গরুটি বিক্রি করিনি। তাহলে হাসিল ছাড়া গরুটি বাইরে কীভাবে নিয়ে গেলো? গরুর খোঁজ নিতে তারা কোনো চেষ্টাই করলো না। পুলিশকে জানানোর জন্য বলেছিল। আমরা আর ভেজালে যাইনি।”
চারটি গরু ট্রাকে তোলার পর আরও একটি সাদা-কালো রঙের ষাঁড় গাড়িতে তোলার সময় তিনি যোগ করেন, “চার লাখ টাকা দিয়ে কিনা, দাম বলছে দুই লাখ ৮০-৯০ হাজার টাকা। এভাবে গরু বিক্রি হয়? গাড়িভাড়া গুনতে হচ্ছে।”
ব্যবসায়ী ক্ষোভে হাট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নিয়েছেন
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থেকে মো. জাকির হোসেন এক লাখ কম দামে ঈদের দু-এক দিন আগে গরু বিক্রি করেছেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, “টার্গেট অনুযায়ী গরু বিক্রি হয়নি। গ্রামের তুলনায় এখানে (ঢাকায়) দাম ক