হাইকোর্টে একদিনে সাত হাজার এক হাজার পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি
হ ইক র ট একদ ন ৭১০৪ট – হাইকোর্টে একদিনে সাত হাজার এক হাজার পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এটি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে একটি বিশেষ কার্যক্রমের সম্পূর্ণ ফলাফল। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এ তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় হাইকোর্ট বিভাগে পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা বিচার ব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পরিচালিত। পুরোনো মামলা প্রায় ছয় মাসের বেশি সময় পর সমাপ্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যা প্রতিবেদন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ কার্যক্রমের গুরুত্ব
হাইকোর্টে একদিনে এই সংখ্যাটি বিচার ব্যবস্থার সম্পূর্ণ সংস্করণের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে মোট ৩ হাজার ৮৪২টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা বিচার সম্পন্ন হয়েছে, এবং রিট মোশন বেঞ্চে পুরোনো রিট মামলা ক্ষেত্রে ৩ হাজার ২৬২টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই বিশেষ প্রক্রিয়ায় বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার দেওয়া হয়েছে, যা সংস্কৃতি সংক্রান্ত কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এই কার্যক্রমে হাইকোর্ট বিভাগের বিভিন্ন বেঞ্চগুলোর সম্মিলিত ভূমিকা রয়েছে, যা পুরোনো মামলার সংখ্যা কমাতে সাহায্য করছে।
হাইকোর্টে একদিনে নিষ্পত্তির ক্রম
হাইকোর্টে একদিনে পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি করার প্রক্রিয়ায় ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চগুলো প্রথমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা বিচার সম্পন্ন হওয়ার ফলে হাইকোর্টে একদিনে মামলা জট কমানো হয়েছে। তারপর রিট মোশন বেঞ্চগুলো সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার শেষ দিকে এ কাজে যোগদান করেছে। এটি প্রতিবেদনে নোংশা বিচার ব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিকাশের দিকে এগিয়েছে।
হাইকোর্টে একদিনে এই সংখ্যার গুরুত্ব অনেকটা প্রতিবেদনের গুরুত্ব প্রতিফলিত করছে। প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে পুরোনো মামলার নিষ্পত্তি করা হয়েছে যাতে বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার পাওয়া যায়। হাইকোর্টে একদিনে প্রক্রিয়া করা হয়েছে সামগ্রিক পরিকল্পনার বাহিনী প্রয়োগে বিচার ব্যবস্থা কম জট হয়েছে।
মামলা জট কমানোর প্রক্রিয়া
হাইকোর্টে একদিনে এই কার্যক্রম দ্বারা পুরোনো মামলা প্রায় ছয় মাসের বেশি সময় পর নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এটি বিচার ব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে প্রবর্তিত হয়েছে। হাইকোর্টে একদিনে মামলা নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া অনেকটা সংক্ষিপ্ত সময়ে প্রক্রিয়া করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিচার ব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য এ কার্যক্রম