স্বপ্নার রাজকীয় বিয়ে যে স্টেশন থেকে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুর জীবনে আসে এক অপূর্ব সময়
স ট শন ক ড় য় প – ২০১২ সালের সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে এক শিশু মানুষের ভিড়ে চোখে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়ে কাঁদছিল। সে মাত্র চার বছর বয়স। তার পোশাক মলিন ছিল, এবং তার নাম ঠিকমতো বলতে পারছিল না। কেউ জানতো না তার বাড়ির ঠিকানা কী, কিংবা কার হাতে সে এসেছে।
সেই দিন থেকে শুরু হয় একটি দীর্ঘ প্রতিযোগিতা। সমাজসেবা অধিদপ্তরের আশ্রয়ে বেড়ে ওঠা স্বপ্নার জীবনে এসেছিল এক অপূর্ব পরিবেশ। ২০২৫ সালে তার এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করার পর তাকে কেউ আর সাথে রাখতে চায় নি।
সমাজসেবা কার্যালয়ের সহযোগে এক মহান বিয়ে
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে শিবগঞ্জ লামাপাড়ায় স্বপ্না সমাজসেবা অধিদপ্তরের সাথে সম্পর্কিত পরিবেশে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন। সেদিন উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
“আমরা চেয়েছি তার জন্য এমন একজন জীবনসঙ্গী খুঁজে নিতে, যে তাকে সম্মান ও নিরাপত্তা দেবে। আজ আমাদের বুকটা ভরে গেছে,” বলেন বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এস এম মোক্তার হোসেন।
এই বিয়েতে ছিল না কোনো কমতি। তার স্বামী সিলেটের এক যুবক। পেশায় তিনি ইলেকট্রিক ঠিকাদার। প্রায় দুই লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে তার ভবিষ্যতের জন্য।
সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্বপ্নার পরিচয় ছিল ‘কুড়িয়ে পাওয়া শিশু’। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার বাবা-মা দুজনই মৃত। সেখানে থাকা, খাওয়া আর পড়াশোনার মধ্য দিয়ে তিনি বড় হয়েছেন। স্থানীয় এক দানশীল ব্যক্তি নতুন দম্পতির সংসারের প্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র উপহার দিয়েছেন। একটি মিষ্টি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করেছে এক হাজার দই উপহার পাঠিয়ে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “এটি কেবল একটি বিয়ে নয়, এটি মানবতার বিজয়। রাষ্ট্র যখন কোনো শিশুর অভিভাবক হয়, তখন তার জীবন কতটা সুন্দর হতে পারে, স্বপ্না তার উজ্জ্লিত উ