বিশ্বে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে চীন প্রথম অবস্থানে রয়েছে
স রব দ য ৎ উৎপ দন – বিশ্বজুড়ে পুনরুত্থানশীল জ্বালানি খাতে সৌর শক্তি বর্তমানে সবচেয়ে স্পীডে বিস্তার লাভ করছে। গোটা বিশ্বের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে চীন সবচেয়ে বড় হারে অগ্রগতি করেছে। ইন্টারন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যান্ড নিউক্লিয়ার এনার্জি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও জার্মানি সৌর শক্তি ব্যবহার ও প্রসারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটিয়েছে।
চীনের সৌর সক্ষমতা এক টেরাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে
বর্তমানে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশ চীন। তার স্থাপিত সৌর সক্ষমতা গত বছর প্রায় ১ টেরাওয়াট অতিক্রম করেছে। গভর্নমেন্টি সহায়তা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং বৃহৎ বিনিয়োগের ফলে এ খাতে চীন আধিপত্য বজায় রেখেছে। ২০২৫ সালে দেশটি প্রায় ১ হাজার ১৭৫ টেরাওয়াট-ঘণ্টা সৌর শক্তি উৎপাদন করেছে যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত বর্তমানে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে
সৌর বিদ্যুৎ খাতে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটি নবায়নযোগ্য শক্তি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি বড় সৌরপার্ক নির্মাণ করছে। ভারত দ্রুত গতিশীল হয়ে উঠেছে এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান সৌর উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে স্থান পেয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী ভারত জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম সৌর উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হয়েছে।
জাপান ও জার্মানি প্রযুক্তি বিস্তারে অগ্রণী
জাপান ও জার্মানি দীর্ঘদিন ধরে সৌর প্রযুক্তি ও ব্যবহার সম্প্রসারণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। জার্মানি ইউরোপে সৌর ও বায়ু বিদ্যুত ব্যবহার বাড়ানোর প্রচেষ্টা করছে যাতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমে। উদীয়মান দেশগুলোতে ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া ও স্পেন সৌর সক্ষমতা বাড়ানোর কাজে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌর বিদ্যুৎ সম্প্রসারণ গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিশ্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে বড় বিনিয়োগ হচ্ছে।
সৌর প্রযুক্তি উন্নয়নের ফলে আরও বেড়াচ্ছে খাতটি
সৌর প্যানেলের দাম কমে আসা ও প্রযুক্তি উন্নয়নের কারণে বর্তমানে সৌর উৎপাদন আগের তুলনায় কম খরচে সম্ভব। আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য