সমন্বয় বিশ্লেষকরা: লুটপাটের ঋণ আলাদা শ্রেণিতে রাখার পরামর্শ
স ম ন র ব শ ল – সমন্বয় বিশ্লেষকরা সেমিনারে ব্যাংকিং খাতের অবস্থা এবং লুটপাটের ঋণ প্রভাব বিশ্লেষণ করেছেন, যার ফলে সাধারণ খেলাপি ঋণের হার কমে আসতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, লুটপাট ঋণগুলি সাধারণ খেলাপি ঋণের তালিকার বাইরে বিশেষ শ্রেণিতে রাখা আরও সংকট পরিহারের সুযোগ হতে পারে। এ সিদ্ধান্তে ব্যাংকগুলো অর্থনৈতিক স্থিতি বজায় রাখার প্রচেষ্টা কমপক্ষে দুই বার উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য
সেমিনারে ব্র্যাক ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ও ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ লুটপাট ঋণগুলি আলাদা শ্রেণিতে রাখার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, এর ফলে সমন্বয় বিশ্লেষকরা প্রকৃত লুটপাট ঋণের চাপ কমাতে সক্ষম হতে পারেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশে এ ধরনের আইন ২০২৩ সালে প্রবর্তন করা হয়েছে, কিন্তু সামগ্রিক খেলাপি ঋণের প্রভাব প্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে।
“লুট হওয়া ঋণকে আলাদা স্লটে নেওয়া হলে সামগ্রিক খেলাপি ঋণের চাপ কমবে। এটি সমন্বয় বিশ্লেষকরা প্রস্তাব করেন। গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে এ বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন।”
সরকারি কার্যকলাপের বিশ্লেষণ
ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল কাশেম হায়দার বলেন, গত ১৫ বছরে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক থেকে ব্যাপক লুণ্ঠন ঘটেছে। সমন্বয় বিশ্লেষকরা বিশ্বাস করেন যে খেলাপি ঋণের প্রভাব পুরো ব্যাংকিং খাতে পরিলক্ষিত হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে কিছু শিল্পগ্রুপ বিদেশে সম্পদ গড়েছে কিন্তু তার বড় অংশ সমন্বয় বিশ্লেষকরা প্রস্তাবিত খেলাপি ঋণের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাত থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
সমন্বয় বিশ্লেষকরা বলেন, খেলাপি ঋণের প্রভাব কমানোর জন্য সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের জন্য নতুন প্রক্রিয়া প্রয়োজন। তিনি ইসলামী ব্যাংকিং জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছিল প্রথম প্রজন্মের বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্�