News

সন্ধ্যায় হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ হলে ধস নামবে ব্যবসায়

সন্ধ্যায় হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ হলে ধস নামবে ব্যবসায় সন ধ য য় হ ট ল - ঈদের পর দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কারণে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানগুলি সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ

Desk News
Published June 2, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1780405854_6a1ed65e7b9dd
Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

সন্ধ্যায় হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ হলে ধস নামবে ব্যবসায়

Bangladailypost.com – সন ধ য য় হ ট ল – ঈদের পর দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কারণে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানগুলি সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। তবে রেস্তোরাঁ খোলা রাখার বিষয়টি নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়নি। এতে রেস্তোরাঁ মালিকদের মধ্যে আশংকা তৈরি হয়েছে। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে হয়রানির আশঙ্কা বোধ করছেন।

সন্ধ্যায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধের ফলে রেস্তোরাঁগুলির বিক্রি ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কমার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, রাত ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত রেস্তোরাঁ খোলা রাখার ব্যবস্থা থাকতে হবে। বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দিয়ে আগের নির্দেশনায় রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ে তারা নানা ধরনের হয়রানির মুখে পড়েছে।

ব্যবসার সময় সীমিত হলে ধস নামবে ব্যবসায়িক সমস্যা

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টায় দোকানপাট বন্ধ করতে হলে রেস্তোরাঁ খাত ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ঈদের পর এমনিতেই আমাদের বিক্রি ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কমে গেছে। এর মধ্যে ব্যবসার সময় আরও সীমিত করা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। এভাবে চললে অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তার জন্য টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।

বিষয়টি স্পষ্ট না থাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। বিভ্রান্তির কারণে কিছু ক্ষেত্রে হয়রানি বা চাঁদাবাজির সুযোগও সৃষ্টি হতে পারে। সরকার এ বিষয়ে দ্রুত স্পষ্ট নির্দেশনা দেবে বলে আমরা আশা করছি।

বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্য নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে। সরকার ভ্যাট-ট্যাক্স আদায় করবে, সেটি স্বাভাবিক। কিন্তু ব্যবসাপরিচালনার সুযোগ সীমিত করলে উদ্যোক্তারা রাজস্ব দেবেন কীভাবে, কর্মীদের বেতন দেবেন কীভাবে এবং নিজেদের ভরণপোষণ কীভাবে চালাবেন—সেটিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

রেস্তোরাঁ খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তা

আমাদের দাবি হলো দোকান ও রেস্তোরাঁ অন্তত রাত ১০টা বা ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হোক। সকাল থেকে খোলা রাখার পরিবর্তে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত পরিচালনার অনুমতি দিলে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে ব্যবসায়ীরাও টিকে থাকার সুযোগ পাবেন। কারণ সকালবেলায় ক্রেতা খুব একটা আসে না, মূল ক্রেতা বিকেলের পর থেকেই আসে। রেস্তোরাঁয়

Leave a Comment