তামাকে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলন
স ব দ সম ম লন বক – বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে উচ্চ। এখন দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক খায়, যা দেশের জনসংখ্যার সম্পূর্ণ একটি বৃহৎ অংশ। যথাক্রমে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম প্রায় ১৫.৩৮ শতাংশ ও উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম প্রায় ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম। টোব্যাকো অ্যাটলাসের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর তামাক কারণে প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এটি সাধারণ মৃত্যুর প্রায় ১৮ শতাংশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বাজেট প্রস্তাবনা দ্বারা সমাধানের প্রয়াস
সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তামাক খাতে সরকারের রাজস্ব আয় প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা। তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতি প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা হিসেবে প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ ক্ষতির পরিমাণ রাজস্বের দ্বিগুণেরও বেশি। সংগঠনটি প্রস্তাব করেছে, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট একীভূত করে ১০ শলাকার প্রতি প্যাকেটের মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হোক। একইসঙ্গে প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করা হোক। উচ্চ ও প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের মূল্য যথাক্রমে ১৫০ ও ২০০ টাকা করে স্থির করা হয়েছে।
তরুণদের ধূমপান শুরু নিরুৎসাহিত করতে কার্যকর মূল্য বৃদ্ধি সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল পদ্ধতি হতে পারে। প্রস্তাবিত কর ও মূল্য সংস্কার বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত হবে।
টোব্যাকো অ্যাটলাসের তথ্য অনুযায়ী তামাকজনিত রোগে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু হয়। এ সময় নিম্নমূল্যের সিগারেটের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু তামাকপণ্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তুলনায় সহজলভ্য হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় প্রায় ৩ লাখ ৭২ হাজার তরুণ ধূমপান থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত হবে বলে বক্তব্য রেখেছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন।
অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, বর্তমান চার স্তরবিশিষ্ট কর কাঠামো জটিল। এতে ব্যবহারকারীরা নিম্নমূল্যের সিগারেটে চলে আসছে। কার্যকর কর সংস্কার করে তামাক সহজলভ্যতা কমানো