রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় ফুলবাড়িয়ার যুবক নিহত
র শ য় য় ড র ন – ফুলবাড়িয়া উপজেলার আজিজুল হকের ছেলে আ. রহিম (৩০) রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় নিহত হন। তিনি ভাড়াটে যোদ্ধা হিসেবে রাশিয়ায় অবস্থান করছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে পরিবার এবং এলাকার মানুষ শোকে মগ্ন হয়েছেন।
পরিবারের সম্পর্কে বিস্তারিত
রহিম রাশিয়া যাওয়ার প্রধান কারণ ছিল সংসারে স্থায়ী সমৃদ্ধি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি গত অক্টোবরে রাশিয়া যান এবং প্রথমে সেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন এমন ধারণা ছিল। পরে খবর পেয়ে জানা গেছে যে তিনি চলতি বছরের ৭ এপ্রিল রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন। এ বিষয়টি তাঁর পরিবারের কাছে গোপন ছিল।
“আমার বড় ছেলে সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে বিদেশ গিয়েছিল। সেই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ। সংসারে শান্তি ফেরাতে গিয়ে নিজেই মারা গেল।”
নিহতের বাবা আজিজুল হক জানান, রহিম এপ্রিলে রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে এক মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেন, “জানলে কখনোই সেখানে যেতে দিতাম না।”
হামলার বিবরণ
সংসার খোঁজ পেয়ে আসনের এক সংসদ সদস্য কামরুল হাসান মিলন দুপুরে নিহতের বাড়িতে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের আশ্বস্ত করেন। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী গত ২ মে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেন সীমান্ত এলাকায় ড্রোন হামলায় রহিম নিহত হন। তার মৃত্যুর খবর রহিমের বন্ধু লিমন দত্ত সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যা ৭টায় ফেসবুক মেসেঞ্জারে পরিবারকে দেন।
রাশিয়ান সেনাসদস্যের প্রতিক্রিয়া
লিমন দত্ত নিজেও সেই ক্যাম্পে রুশ সেনাসদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ফুলবাড়িয়া থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং জানান, সরকারি আনুষ্ঠানিক বার্তা পেয়া যায়নি।
তদন্ত ও সহায়তা
নিহতের মা রমিচা খাতুন বলেন, “আমার ছেলে সংসারের কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছে বলে ধারণা ছিল। কিন্তু তিনি রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন।” ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম হিরা জানান, পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছি। সরকারের সহযোগিতার স