র জশ হ ব শ ববে খাতা মূল্যায়ন কোডিং পদ্ধতি চালু হয়নি ১০ মাসেও
র জশ হ ব শ বব দ – রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতির পরিচয় দেওয়া হয়েছিল গত বছরের জুলাই মাসে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে, কিন্তু সেই পদ্ধতি চালু করা হয়নি। বর্তমানে সিদ্ধান্তের ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। এ কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নম্বর প্রদান প্রক্রিয়ায় অসম্পূর্ণতা ও বৈষম্যের আশঙ্কা উঠেছে।
নম্বর প্রদানে বৈষম্যের আশঙ্কা
খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতি বর্তমান অবস্থায় শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠানের রাজনীতি ও শিক্ষকদের ব্যক্তিগত পছন্দ নির্ভর হয়ে থাকে। র জশ হ ব শ ববে এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ মূল্যায়ন ঘটে না। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, কোডিং পদ্ধতি চালু হলে আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থেকে মুক্তি পেতে পারে। তবে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার জন্য প্রায় আড়াই বছর সময় লেগেছে।
সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফ আলবী বলেন, “খাতায় নাম ও রোল নম্বর দৃশ্যমান থাকায় নিরপেক্ষতা বাধা দেয়। র জশ হ ব শ ববে প্রশাসন আমলাতান্ত্রিক বাধা কাটিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।” তিনি বলেন যে খাতা মূল্যায়ন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানের বাইরে স্বাধীন হবে না, কারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের রাজনীতি বা শিক্ষকদের ব্যক্তিগত পছন্দ প্রভাব ফেলে।
কোডিং পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কোডিং পদ্ধতি চালু করা দরকার বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমান পদ্ধতিতে মূল্যায়ন ক্ষেত্রে অপরিচ্ছন্নতা ও বৈষম্যের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. হাসনাত কবীর জানান, কোডিং পদ্ধতি চালু করতে হলে সফটওয়্যার প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনতে হবে। র জশ হ ব শ বব প্রায় প্রতিটি বিভাগে এই পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হবে বলে আশা করছেন তিনি।
কোডিং পদ্ধতি চালু হলে শিক্ষার্থীদের বিশ্বাস হবে যে নম্বর প্রদান কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়। র জশ হ ব শ ববে প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রকদের জন্য প্রায় অনেকগুলো ব্যবস্থা করা হয়েছে, কিন্তু কোডিং পদ্ধতির পরিচালনার জন্য আরও প্রস্তুতি চাই। এ সমস্যার সমাপ্তি ঘটবে বলে আশা করছেন শিক্ষার্থীরা।
র জশ হ ব শ ববে খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতির সমস্যার সমাধানের জন্য কোনো �