সিঙ্গাপুরের বিশ্বের প্রথম পরিচ্ছন্নতা গুণগত লক্ষণ
য ভ ব ব শ ব র – সম্পূর্ণ পরিকল্পনা ও স্মার্ট প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে সুস্থ শহর হিসেবে সিঙ্গাপুর অবস্থান অর্জন করেছে। প্রাকৃতিক সম্পদ সংকট, স্থানীয় আবাসন প্রবল চ্যালেঞ্জ এবং দূষণ সমস্যার মুখোমুখি হয়ে এই দ্বীপরাষ্ট্র টেকসই উন্নয়নের জন্য সম্পূর্ণ ভাবে পরিকল্পিত পথ অবলম্বন করেছে। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি ও পরিবেশ সংরক্ষণের সচেতনতা তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে সামান্য আয়তনের দেশ হিসেবে তার সংকট থেকে শুরু হয়েছে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।
প্রাকৃতিক সম্পদের বৈপরীত্য থেকে টেকসই স্থাপত্য
বিষুবরেখার মাত্র এক ডিগ্রি উত্তরে অবস্থিত সিঙ্গাপুর দ্বীপে রয়েছে স্থানীয় সম্পদ না থাকার জন্য সর্বোচ্চ চ্যালেঞ্জ। দেশটির গৃহস্থালি থেকে সার্বিক ভবন পর্যন্ত রয়েছে সবুজ স্থাপত্যের আদর্শ। একটি ছাদবাগান থেকে আরও আকাশসেতু সহ ভবনের গায়ে উল্লম্ব উদ্যান প্রদর্শিত হয়। স্বাস্থ্যবিধি ও পুনর্ব্যবহার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো হয়েছে কর্মক্ষেত্র এবং স্কুলের মাধ্যমে। সামাজিক মূল্যবোধ দিয়ে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত হয়েছে এই দেশে।
সিঙ্গাপুরের আর্টসায়েন্স মিউজিয়ামে পুকুর পরিষ্কার করছেন এক কর্মী। ২০২২ সালের ২ আগস্টে তোলা ছবি।
উদ্ভাবনের জন্য সীমাবদ্ধতা সহায়তা
প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউয়ের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে সিঙ্গাপুরের ‘গার্ডেন সিটি’ ধারণা। শুরুতে এটি ছিল শহরের সবুজতা ও পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত অভিযান প্রবাহিত হয়েছে। তবে সময়ের সঙ্গে সাথে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক মূল্যবোধ কাজে লাগিয়ে এ ধারণা গভীর মানের স্থাপত্যের অংশ হিসেবে পরিণত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগে কঠোর আইন আর প্রতিষ্ঠাতার ভাবনা বিশ্বের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন শহরের গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের কারণ।
সবুজ গৃহস্থালি ও সংকট কার্যকর করা
এই দ্বীপে নির্মাতারা সবুজ পার্ক সহ ভবনের ছাদে উল্লম্ব বাগান তৈরি করেছেন। স্বাভাবিক বাতাস ও আলো সর্বোচ্চ উপায়ে ব্যবহার করা হয়েছে। এ ধারণার ফলে শহরজুড়ে ঘনত্ব অনুভব করা যায় না। তবে কঠোর আইন আর সামাজিক প্রক্রিয়া মিলিয়ে পরিচ্ছন্নতা অর্জনে উপস্থিত হয়েছে। অপ্রতুল আবাসন ও বৃষ্টিপাতের ব্যবস্থাপনার জন্য এই দেশটি বিশ্বে অন্যতম অগ্রগামী মডেল।
পানি পুনর্ব্যবহারের বিপ্লব
তেল ও গ্যাস নেই সিঙ্গাপুরে। এ দেশ নিজেকে স্বাধীন জল উৎসে পরিণত করেছে চারটি উৎসভিত্তিক প্রযুক্তির মাধ্যমে। এখানে বৃষ্টিপানি সংগ্রহ করা হয়েছে লবণমুক্তকরণ ও উচ্চমানের নিউওয়াটার প্রযুক্তি দিয়ে। প্রাকৃতিক মিঠাপানির বিপর্যয় সম্মুখীন হয়ে দেশটি খরার সময়ও স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। মেরিনা ব্যা�