যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক কার্যকর হলে নতুন চাপে পড়তে পারে রপ্তানি খাত
য ক তর ষ ট র র – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব জানায়। এ প্রস্তাবের পেছনে পণ্য উৎপাদনে ফোর্সড লেবার বা জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে রপ্তানিকারক দাবি করেন যে বাংলাদেশে ফোর্সড লেবার বিষয়ে কোনো গ্রহণযোগ্য ভিত্তি নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) ঘোষণা করে যে এ প্রস্তাবের মাধ্যমে কোনো দেশের পণ্য ওপর আমদানি বাধা কমিয়ে মার্কিন শ্রমিকদের প্রতিযোগিতা কমানো হবে। বাংলাদেশে এ ধরনের শুল্ক আরোপের পরিণতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন মোহাম্মদ হাতেম।
‘ট্রাম্প প্রশাসনের সময় আবারও যে ট্যারিফ বা শুল্ক আরোপের বিষয়টি সামনে আনা হচ্ছে এবং যেটি এখন ইউএসডিআরের পক্ষ থেকে ১০ শতাংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে—তা আসলে কীভাবে দাঁড়াবে, সেটিই এখন প্রশ্ন।’ – মোহাম্মদ হাতেম
যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি কারকরা জানান যে এ সিদ্ধান্তের ফলে চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাপানসহ বাণিজ্য অংশীদারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সরকারের সঙ্গে আলোচনা না করে বাড়তি শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া কোন ক্ষেত্রে কার্যকর হবে, তা নিশ্চিত করতে পারে না বলে মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেন, সব দেশকে একই হারে শুল্ক দিতে হবে না।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের সিইও মাসরুর রিয়াজ মন্তব্য করেন, এ সিদ্ধান্তের প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে ভিয়েতনাম বা ভারতের সাথে তুলনামূলক শুল্ক হারের ওপর। বাংলাদেশের জন্য এখন প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সক্রিয় কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং বাণিজ্য আলোচনায় শক্ত অবস্থান নেওয়া।
‘এটি শুধু বাণিজ্যিক ইস্যু নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও বাণিজ্য আলোচনার বিষয়ও বটে। বাংলাদেশের জন্য এখন প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সক্রিয় কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং বাণিজ্য আলোচনায় শক্ত