‘যানজট নেই, স্বস্তি নিয়েই বাড়ি ফিরছি’
য নজট ন ই স বস ত – ঈদ উপলক্ষে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটের কোন সুরম্য চিহ্ন দেখা গেল না। এই সড়কের গুরুতর পরিবহন চালনার কারণে সাধারণত বাড়ি ফিরতে বেশ কিছু সময় লেগে যায়, কিন্তু এবারের পরিস্থিতিতে কোনও ধরনের অনুভূতি ছিল না। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে সড়কে গাড়ি চলাচল কমে আসার ফলে সব ধরনের পরিবহন সমস্যা অনুভূত হয়নি। বিশেষ করে ব্যক্তিগত গাড়ি এবং সব ধরনের সার্বিক পরিবহনের ক্ষেত্রে যানজট নেই এমন সুবিধা দেখা গেল। স্বস্তি নিয়েই বাড়ি ফিরছি বলে সবাই মনে করছেন।
ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল বৃদ্ধির কারণ
ঈদ উপলক্ষে সড়কে যানজট নেই এমন পরিস্থিতি দেখা গেল যখন প্রতিবেশীদের গৃহত্যাগ চালানো হয়েছে অসাধারণ ভাবে। বাসের যাত্রী ইকবাল হোসেন জানান, অল্প সময়ে তিনি মাদারবাড়ি থেকে বারইয়ারহাট বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছেছেন। সব ধরনের মানুষ আগের চেয়ে কম বাড়ি ফিরার পথে ঝামেলা ছিল না। সীতাকুণ্ড থেকে মিরসরাই অংশে প্রায় সব সময় গাড়ি চলাচল কমে গেলেও ঈদ উপলক্ষে সব কিছু সুষ্ঠু ভাবে কাজ করেছে।
চট্টগ্রাম জেলা ট্রাফিক ইন্সপেকটর মো. রফিক আহমেদ মজুমদার জানান, সড়কে যানজট নেই এমন ব্যবস্থা করতে ছিল ঈদ উপলক্ষে মানুষের সুরক্ষার জন্য কিছু বিশেষ পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছিল। স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে বাড়ি ফিরছেন বলে মনে হচ্ছে।
সড়কে যানজট নেই পরিস্থিতির কারণে পরিবহনের সমস্যার সংখ্যা কমে গেছে। প্রায় সব সময় মাদারবাড়ি থেকে বারইয়ারহাট যাওয়া বেসরকারি চাকরিজীবী নাজিম উদ্দিন বলেন, সড়কে কোন ধরনের অনুভূতি ছিল না। কিন্তু তিনি বলেন, পরিবহনে এটি ছিল অসাধারণ ভাবে। স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে বাড়ি ফিরার প্রথম দিন সব কিছু ভালো ভাবে কাজ করেছে।
ঈদ পরিবহন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থা
চট্টগ্রাম শহর থেকে বারইয়ারহাট যাওয়া বেসরকারি চাকরিজীবী নাজিম উদ্দিন বলেন, সড়কে যানজট নেই এমন পরিস্থিতি বিশেষ করে মহাসড়কের গুরুতর পরিবহন সমস্যা দেখা গেল না। সে আরও বলেন, পরিবহনে এটি ছিল অসাধারণ ভাবে। তিনি বলেন, সব ধরনের মানুষ আগের চেয়ে কম বাড়ি ফিরার পথে ঝামেলা ছিল না।
ঈদ উপলক্ষে সড়কে যানজট নেই পরিস্থিতির ফলে সব কিছু ভালো ভাবে কাজ করেছে। এই বিশেষ দিনে বেশ কিছু সার্বিক গাড়ি চলাচল কমে আসার ফলে সবাই নিয়মিত পরিবহন করতে সুবিধা পেয়েছেন। এখন সড়কে কোনও ধরনের অনুভূতি ছিল না। এটি পরিবহন প্রতিষ্ঠান ও জনসাধারণের সমন্বয়ে একটি সফল পরিকল্পনার ফল।
সব ধরনের গণপরিবহনে সড়কে যানজট নেই এমন সুবিধা দেখা গেল। এই পরিস্থিতিতে সবাই স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। তবে কিছু মানুষ মনে করছেন যে এই পরিস্থিতি ছাড়া আরও কিছু বিষয় দেখা গেল না। বিশেষ �