মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না, বিএসইসির নতুন বিধিমালা
ম য় দ ম উচ য় ল – বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ঘোষণা করেছে যে ভবিষ্যতে কোনো মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ফান্ডের মেয়াদপূর্তির পর বা নির্ধারিত কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে এটি ওপেন-এন্ডেড ফান্ডে রূপান্তরিত হবে নাকি অবসায়নের মাধ্যমে বন্ধ করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইউনিটধারীদের হাতে ছাড়া হবে না।
বিএসইসি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে নতুন ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচুয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০২৫’। গেজেটের মাধ্যমে নতুন বিধিমালা কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। এ নিয়ে পূর্ববর্তী সালের নির্দেশনা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। বিধিমালার আওতাভুক্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করবে বলে নির্ধারণ করা হয়েছে।
সে বিশেষ ক্ষেত্রে ইউনিটধারীদের সিদ্ধান্ত অবসায়নের পক্ষে গণ্য হবে না। কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাজারদর ও নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) এর মধ্যে দীর্ঘসময় ধরে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান থাকলে এ বিধান কার্যকর হবে। রেকর্ড ডেট ঘোষণা করতে হবে এবং সভার নোটিশ কমপক্ষে ২১ দিন আগে প্রকাশ করতে হবে। রেকর্ড ডেটে ইউনিট থাকা ব্যক্তিদের সভায় ভোট দেওয়ার অধিকার থাকবে। একটি রূপান্তর প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য মোট ইউনিটের কমপক্ষে ৭৫ শতাংশের সমর্থন প্রয়োজন। যদি সেই সমর্থন না পাওয়া যায়, তবে ফান্ড গুটিয়ে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
নতুন বিধিমালার আওতাভুক্ত বিশেষ ক্ষেত্রে রূপান্তর প্রক্রিয়ায় ফান্ডের সম্পদ ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ট্রাস্টির হাতে হস্তান্তর করা হবে। রূপান্তরের আগে সম্পদের স্বাধীন মূল্যায়ন করা হবে। এ জন্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পর্ক থাকবে না অডিটর নিয়োগ করতে হবে। অডিটরকে দুটি পৃথক প্রতিবেদন জমা দিতে হবে—অডিট রিপোর্ট এবং ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট। ভ্যালুয়েশন রিপোর্টে প্রতিটি সম্পদের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি, অলিকুইড সিকিউরিটিজের মূল্যায়ন এবং প্রকৃত এনএভি উল্লেখ থাকবে।
রূপান্তরের পর সংশ্লিষ্ট স্কিমকে কার্যত নতুন ফান্ড হিসেবে পরিচালনা করতে হবে। সে ক্ষেত্রে নতুন প্রসপেক্টাস, ট্রাস্�