News

মিশরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সর্ববৃহৎ ঈদ পুনর্মিলনী

মিশরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী বিশেষ আয়োজন ম শর ব ল দ শ শ - অধ্যয়নের অপরিহার্য ভারসাম্য ও পরিবারের দূরত্ব সত্ত্বেও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা মিশরে

Desk News
Published May 30, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মিশরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী বিশেষ আয়োজন

ম শর ব ল দ শ শ – অধ্যয়নের অপরিহার্য ভারসাম্য ও পরিবারের দূরত্ব সত্ত্বেও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা মিশরে নিজেদের সামাজিক সংযোগ সৃষ্টি করেছেন ঈদের সাথে এক অনন্য ভাবে স্থাপিত ভ্রাতৃত্ব। এ বিশেষ অনুষ্ঠানে নিজেদের সুখ ও সংস্কৃতির প্রকাশ করেছেন কায়রোর সাক্কারা কুরাইশ এলাকায় অনুষ্ঠিত ঈদুল আজহা উৎসব।

২৮ মে সন্ধ্যায় আয়োজিত এ উপলক্ষে মিশরে অধ্যয়নরত আট শতাধিক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেন। আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য ছিল প্রবাসীদের পরিবারের গুরুত্ব ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি পুনরুজ্জীবন।

প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও আপ্যায়ন

প্রারম্ভে পবিত্র আল-কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে উপস্থিত সকলের মন জয় করে সংগঠনের সভাপতি আবদুর রহমান মুহাম্মাদ নওয়াব। তিনি উল্লেখ করেন যে প্রবাসীদের পরিবারের স্পর্শ ও স্থানীয় মানুষের সাথে সংযোগ রক্ষা করা সর্বোপরি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রবাসে থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাতৃভূমি ও পরিবারের স্পর্শ অনুভব করতে পারা ছাড়া অন্য কিছু আছে না। সেই লক্ষ্যেই আমরা এ আয়োজন করেছি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ করে ইসলামি সংগীত ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সকল অংশগ্রহণকারীকে উৎসাহিত করেছে। কিশোরদের হাসিমুখ ও পরিবারের অনুপ্রাণিত করে ছিল সাংস্কৃতিক প্রদর্শনা। উপস্থিত শিশু কিশোরদের জন্য ঈদ সালামি ও খেলনা বিতরণ করা হয়।

সংগঠনের ইতিহাসে প্রথমবার কোরবানি করা উটের মাংস বিশেষ আপ্যায়ন করা হয়। উট ও গরুর মাংস বিতরণে এ উৎসব আরও স্মরণীয় করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্য ও মিশরে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী পেশাজীবীরা।

সাধারণ সম্পাদক মিসবাহুল হক মিরাজী ও অন্যান্য নেতাদের বক্তব্য অনুষ্ঠানের মুখ্য পর্ব হিসেবে প্রস্তুত করা হয়। অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের সম্মান জানানোর মাধ্যমে আয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের মূল্যবান সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য এবং প্রবীণ শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমানের দোয়া দ্বারা সকলের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। প্রবাসী সম্প্রদায় মিশরে নিজেদের গুরুত্ব ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠা প্রমাণ করে দিয়েছে এ উৎসবে।

Leave a Comment