ঈদে শিশু হাসপাতালে মাটি হয়ে গেছে বিপর্যস্ততা
ম ট হয় গ ছ ঈদ – ঈদ উপলক্ষে রাজধানীতে শিশু হাসপাতালে মানুষের সংখ্যা দুর্দান্ত হয়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির শেষ দিন বানানো হয়েছে একটি চাপ ছড়িয়ে পড়েছে। আদাবরে বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “আমার দুইটি মেয়ে আছে—একটি ১০ বছর, আরেকটি ৭ বছরের। ছোট বাচ্চাটি সকাল থেকে জ্বর এবং বমি হচ্ছিল। ডাক্তার দেখাইতে বাবা গেছেন টিকেট কাটতে। সন্ধ্যার দিকে আমি ও মা শিশু হাসপাতালে এসেছি। ডাক্তার বলছেন, ওর তো হাম হয়েছে বোধহয়। তার জন্য ভর্তি করা হবে। বাচ্চার সুস্থতা তো আগে। এখনও এখানে আছি।” তিনি আরও বলেন, “বড় মেয়েটি কখনো ছাড়া থাকেনি আমাদের। ওকে মামার সঙ্গে গ্রামে পাঠিয়ে দিছি। ছোট বাচ্চার জন্য আমি আর ও মা রয়ে গেছি। খাবার প্রতিদিন ভেতরে যায় না। কিন্তু আল্লাহর কাছে দোয়া করি, সন্তানদের সুস্থ করে দিন।”
ঈদ উপলক্ষে স্বাস্থ্য সংক্রমণে ভর্তি করে রয়েছে অর্ধশত মানুষ। হাসপাতালের ভেতরে রোগীদের চাপ আর চিকিৎসার হাহাকার দেখা মিলেছে। করিডোরে গাড়িচালক বলেন, “ছোট বাচ্চার ক্যানসার হয়েছে। এই বয়সে প্রথমটিই হামের সাথে গলায় ক্যানসার হয়েছে। দুর্দান্ত চাপ আছে ওখানে।”
হামে কয়েকদিন থেকে মাটি হয়ে গেছে ঈদ
আব্দুল করিম বলেন, “হামে ভর্তি রয়েছি আমার সন্তানকে। এই কয়দিনে আমার বেতন ও বোনাস মিলে ৩০ হাজার টাকা শেষ হয়েছে।”
রাজধানীর শিশু হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আজহারুল ইসলাম বলেন, “আজ হামের রোগীর সংখ্যা বেশি হয়েছে। বিছানা খালি হচ্ছে সবার পরিচালনা করছি। এখন সারাদেশ থেকে হামের রোগী আসছে। সাধ্যমতো ম্যানেজ করছি আমরা।”
সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০ জন। সাথে সন্দেহভাজন হামে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ৪৯৩ জনের মধ্যে। এই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৮ হাজার ৯৯৬ জন। সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত ৬৯ হাজার ৬১২ জন। ভর্তি হয়েছে ৫৫ হাজার ৭০৫ জন এবং সুস্থ হয়েছে ৫২ হাজার