News

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মসজিদের টাকায় ছুরি কেনা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মসজিদের টাকায় ছুরি কেনা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৬ জন ইছাপুর বাইতুন নুর মসজিদ এলাকায় ঘটেছে বিস্ফোটক আক্রমণ ব র হ মণব ড় য় য় - ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

Desk News
Published May 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মসজিদের টাকায় ছুরি কেনা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৬ জন

ইছাপুর বাইতুন নুর মসজিদ এলাকায় ঘটেছে বিস্ফোটক আক্রমণ

ব র হ মণব ড় য় য় – ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রসিদ্ধ ইছাপুর বাইতুন নুর জামে মসজিদের নিকটে শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে একটি তুমুল সংঘর্ষ ঘটে। এ সংঘর্ষে ছুরি কেনার বিষয়ে অনেকে আপত্তি জানায়, কিন্তু অন্যদিকে সফিল উদ্দিন সে বিষয়ে তুরুত্তর স্বীকৃতি দেন। তার মতে, ঈদ উপলক্ষে কোরবানির জন্য মসজিদের নগদ টাকা ব্যবহার করে ছুরি কিনেছিলেন। তবে মসজিদের টাকা ব্যবহারে সংঘর্ষ ঘটার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাসিরনগর এলাকায় প্রায় সবাই আতঙ্কিত হন। বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি মানুষ মসজিদের টাকা ব্যবহার করে ছুরি কেনার প্রতিবাদ করেন, যার ফলে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল মারামারি ঘটে।

সংঘর্ষের উপর প্রথম সংঘটনা এবং আহতদের পরিস্থিতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলার নাসিরনগর এলাকায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় জুমার নামাজের সময়। মসজিদে সাধারণ বৈঠকে ছুরি কেনার বিষয়ে আলোচনা হয়, কিন্তু সে বিষয়ে উভয় পক্ষ একে অপরের উপর প্রতিশ্রুতি বাড়িয়ে দেন। ঘটনার পর প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ চলে, যেখানে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ঘাতপ্রহার হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং সংঘর্ষে ছুরি কেনার সূত্র খুঁজে বার করার জন্য স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। কয়েকটি ছুরি কেনার কারণে ব্রাহণবাড়িয়া এলাকায় চারপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘর্ষে ছুরি কেনার বিষয়ে তুমুল আলোচনা করার পর সফিল উদ্দিন ও তার সহপ্রতিষ্ঠাপন কর্মীদের আহত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকার কয়েকজন নাগরিক। সংঘর্ষ ঘটার পর তিনি ছুরি কেনার কারণে মসজিদের টাকা ব্যবহার করা হয়েছে বলে স্থানীয় কয়েকজন আরো আপত্তি জানান। ছুরি কেনার খবর শুনে আজিম উদ্দিন গ্রামের মানুষদের সতর্ক করেন, যেখানে তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়াস করেন। এ ছুরি কেনার বিষয়ে তুমুল বিতর্ক ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ঘটে, যার ফলে আহত হয়েছে ছয় জন।

আহতদের উদ্ধার ও চিকিৎসার প্রক্রিয়া

সংঘর্ষে আহত হয়েছে ছয় জন, যাদের মধ্যে সফিল উদ্দিন পক্ষে রহিমা বেগম, শরিফ, শিমুল আক্তার ও নিজাম আলম আহত হন। অন্যদিকে আজিম উদ্দিন ও তার সহপ্রতিষ্ঠাপন কর্মীদের পক্ষে যদু মিয়া ও হুমায়ুন কবির আহত হন। স্থানীয় সাংগঠনিক শক্তির সহযোগে সবাই নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। গুরুতর আহত যদু মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে তার চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাসপাতালে তিনি আটকে ছিলেন। এ ঘটনার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকায় মসজিদে ছুরি কেনার খবর ছড়িয়ে পড়ে।

Leave a Comment