National

এই অন্ধকার সরকারের তৈরি: নাহিদ ইসলাম

এই অন ধক র সরক র র - জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম পরিকল্পনাহীনতা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণেই দেশে বর্তমান সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন। তিনি

Desk National
Published August 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Jennifer Garcia - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. নাহিদ ইসলামের অভিযোগ: অন্ধকার সরকারের তৈরি সংকট
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

নাহিদ ইসলামের অভিযোগ: অন্ধকার সরকারের তৈরি সংকট

Bangladailypost.com – এই অন ধক র সরক র র – জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম পরিকল্পনাহীনতা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণেই দেশে বর্তমান সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন। তিনি বলেন, এই অন্ধকার সরকারের তৈরি এই পরিস্থিতি। বিএনপির প্রতিশ্রুতি ছিল জনগণের সরকার গড়ে তোলা। কিন্তু বাস্তবে গড়ে উঠছে অলিগার্কদের শাসন।

ইশতেহার ঘোষণার সময় বিএনপি স্পষ্টভাবে বলেছিল, লুটপাট নয়, উৎপাদন; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা। এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। ছয় মাস পরেই সরকার ঠিক বিপরীত পথে হাঁটছে। প্রাথমিকভাবে জ্বালানি আমদানি ও বিদ্যুৎ বিতরণে বেসরকারিকরণের নামে অলিগার্ক বসানোর হীন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও নীতিমালা পরিবর্তন

নাহিদ ইসলাম বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এই অভিযোগ উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফা ও নির্বাচনি ইশতেহারে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি ছিল যে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ খাতে দায়মুক্তি আইনসহ সব কালাকানুন বাতিল হবে। পতিত ফ্যাসিবাদী সরকার এই দায়মুক্তির আড়ালেই কুইক রেন্টাল ও আইপিপির নামে ক্যাপাসিটি চার্জ দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছিল।

বাস্তবে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বসুন্ধরা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস বড় পরিমাণে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও নিজস্ব ব্যবস্থায় বাজারজাতের অনুমতি চেয়ে সরকারকে চিঠি দেয়।

এরপরই ৬ আগস্ট জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বিপিসিকে মাত্র ৪ দিন সময় দিয়ে ১০ আগস্টের মধ্যে ‘বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা ২০২৬’র খসড়া জমা দিতে বলে। এর বিপক্ষে মত দিলে বিপিসি চেয়ারম্যানকে অন্যায্যভাবে সরিয়ে দেওয়া হবে।

সময়সূচি ভিত্তিক ক্রয় পরিকল্পনার অভাব

এই এনসিপি নেতা বলেন, একটি জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি নীতিমালার খসড়ার জন্য ‘চারদিন’ হচ্ছে বিএনপির সুসাশনের নমুনা! পাশাপাশি, ২৮ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদের জ্বালানি তেল আমদানির আন্তর্জাতিক দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ‘১০ দিনে’ নামিয়ে এনেছে।

ফলে বড় বড় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীরা অংশ নিতে পারবে না, দরদাতা সংকট তৈরি হবে, দাম বাড়বে, সিন্ডিকেটের দরজা খুলে যাবে। যদি অংশীজনদের মতামত নেওয়াই উদ্দেশ্য হতো, তবে চার দিনের আলটিমেটাম কেন? তদন্ত কমিটিতে দুই দিন কেন? বিপিসির চেয়ারম্যান অপসারণে এই তাড়াহুড়ো কীসের ইঙ্গিত?

ডলার আছে, ক্রয়ের টাইমলি শিডিউল নেই

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি সরকারের সঙ্গে লোডশেডিং শব্দটি আবার সমার্থক হয়ে উঠছে। ২০০১-২০০৬ মেয়াদেও আমরা দেখেছি উৎপাদন না বাড়িয়ে বিতরণ লাইন বাড়ানোর অসমন্বিত ‘উন্নয়ন’। দুই দশক পরেও শিক্ষা নেয়নি বিএনপি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে দেশের গ্রস রিজার্ভ প্রায় ৩৬.৯ বিলিয়ন ডলার, বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলার। রেমিট্যান্স প্রবাহও শক্তিশালী, ১ থেকে ৮ আগস্টেই এসেছে ৯১৫ মিলিয়ন ডলার, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪২.৯ শতাংশ বেশি।

বাস্তবে ডলার আছে। নেই ক্রয়ের টাইমলি শিডিউল। সময়সূচি ভিত্তিক ক্রয় পরিকল্পনা। অন্তর্বর্তী সরকারের নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী প্রথম কয়েকমাস জ্বালানি এসেছে। এরপর নিজেরা প্রকৃত চাহিদার ভিত্তিতে ক্রয়প্রক্রিয়া সচল রাখেনি, বিপর্যয় শুরু সেখান থেকেই।

লোডশেডিং ও যুদ্ধের দায় চাপানো

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিষয়টি এমন নয় যে বিপিসিকে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল আর বিপিসি ব্যর্থ হয়েছে। বরং বিপিসিকে ক্রয় শিডিউলের অনুমোদনই সময়মতো দেওয়া হয়নি। প্রশ্ন হচ্ছে, পছন্দের সরবরাহকারীর ব্যাপারে চাপ দিতে গিয়েই কি আমদানির শিডিউল বিপর্যস্ত হয়েছে?

একটি নিখুঁত ছক দাঁড়াচ্ছে: সরকারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ করতে না দাও → সংকট তৈরি হোক → বলো ‘সরকারি খাত পারছে না’ → বেসরকারি অলিগার্কের হাতে লাইসেন্স তুলে দাও। বিদ্যুৎ বিতরণেও একই কৌশল। ভুতুড়ে বিল ও জালিয়াতির অভিযোগ, তারপর বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারিকরণের যুক্তি। পেছনে একটাই উদ্দেশ্য, কমিশন ও রেন্ট সিকিং।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, এই মুহূর্তে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিং চলছে। ১০ আগস্ট রাত ১টায় ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট, তার আগের রেকর্ড ৯ আগস্ট ৩ হাজার ৬৭১, তারও আগে ৩ আগস্ট ৩ হাজার ৫১২ মেগাওয়াট। ৪১টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ। ভারত থেকে আমদানি প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। গ্রামাঞ্চলে দিনে ১০-১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।

সরকার দায় চাপাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ওপর। কিন্তু পিজিসিবির তথ্য বলছে, যুদ্ধ শুরুর আগে এপ্রিল মাসেও লোডশেডিং পরিস্থিতি নাজুক ছিল। এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ দৈনিক লোডশেডিং ছিল ৪১ হাজার কিলোওয়াট ঘণ্টা, জুলাইয়ে ৩২ হাজার এবং আগস্টে ৫৩ হাজার কিলোওয়াট ঘণ্টা। অর্থাৎ যুদ্ধ শুরুর আগেই সংকট তৈরি হয়ে গিয়েছিল। যুদ্ধ একমাত্র কারণ নয়।

২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) আগুন লাগে, দৈনিক ৫১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। আংশিক সরবরাহ ফিরে আসে ৫ আগস্ট, অর্থাৎ ১৫ দিন। নাহিদ ইসলাম বলেন, এখানে আমরা দুটি প্রশ্ন তুলছি। এক, রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটিছিল কি না তার স্বাধীন তদন্ত হয়েছে কি? প্রতিবেদন কোথায়? দুই, দেশের গ্যাস সরবরাহের

Frequently Asked Questions

What is এই অন ধক র সরক র র?

এই অন ধক র সরক র র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does এই অন ধক র সরক র র matter?

এই অন ধক র সরক র র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment