ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধ হওয়ার পিছনে পিয়া ক্ষুব্ধ
বনলতা এক্সপ্রেস সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ হওয়ার প্রতিক্রিয়া
ব র হ মণব ড় য় র – ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় সম্প্রতি ঘটেছে একটি বিশেষ ঘটনা, যা সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার রক্ষার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বনলতা এক্সপ্রেস সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ হওয়ার পর থেকে ঘটনাটি বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। ক্ষুব্ধ হয়েছেন মডেল, অভিনেত্রী এবং আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল, যিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি নিজের মতামত দিয়ে বিষয়টি আরও গুরুতর করেছেন।
পিয়া লেখেন, “যেখানে যা বলা উচিত না, সেখানে আমি অনেক সময় তা বলে ফেলি। ফলে আমার অনেক ঝামেলার সূত্রপাত হয়।” তিনি বিশ্বাস করেন যে ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে সংস্কৃতি রক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পক্ষের কাছে প্রতিক্রিয়া আমন্ত্রণ করা উচিত। এ ঘটনার প্রতি তার মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তার পেয়েছে। পিয়া আরও বলেন যে, সংস্কৃতি ও আইনের মধ্যে সম্পর্কটি সম্পূর্ণ করে দেখা প্রয়োজন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংস্কৃতি রক্ষার সামনে ক্ষমতার সীমা বিস্তার করেছে।
পিয়া আরও জানান, “দেশ উদ্ধারের কথা শুনেছি অনেক। এখন দেখার বিষয় হচ্ছে তারা কতটা শিল্প, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল অঙ্গন বাঁচানোর প্রতি অবদান রাখেন। ধৈর্য নিয়ে দেখছি। সময়ই উত্তর দেবে।”
বিষয়টি সাংস্কৃতিক অঙ্গনে প্রসারিত হয়েছে এবং ক্রমাগত আলোচনা চলছে। পিয়া তার মতামতে বলেন যে, সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধ করার প্রক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও বিস্তৃত আলোচনা হচ্ছে। অনেকে মন্তব্য দিয়েছেন যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিল্প ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য আমাদের অবদান করতে হবে।
বনলতা এক্সপ্রেস সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ করার ঘটনার পর দেশ উদ্ধারের কথা বলা হয়েছিল জুলাইয়ে মাঠে-ঘাটে। কিন্তু এখন সেই মানুষদের কি সিনেমা ও সংস্কৃতির রক্ষার জন্য প্রতিক্রিয়া দিতে পারবেন? পিয়া তার মন্তব্যে এ প্রসঙ্গ তুলেছেন। তিনি বলেন, সংস্কৃতি রক্ষার প্রতি প্রতিক্রিয়া দিতে হবে যখন এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাম হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
সংস্কৃতি রক্ষার সংগ্রামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনেমা শিল্পীদের প্রতি ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করেছেন পিয়া। তিনি বলেন, “একটি সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধ করার পর সংস্কৃতির সাথে যুক্ত এমন অনেক ক্�