বাবার সঙ্গে ঈদের নামাজে মুশফিক, মায়ানের জন্য আফসোস দাদুর
ঈদুল আজহার পবিত্র উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে জুড়ে নামাজ
ব ব র সঙ গ ঈদ র – ঈদের নামাজ পড়া এবং সংগীত গাওয়ার জন্য বাবার সঙ্গে যোগ দেওয়ার সৌভাগ্য মুশফিকুর রহিম পেয়েছেন। বগুড়া শহরের ধরমপুর-মাটিডালি নাজিম উদ্দিন জিলাদার ঈদগাহ ময়দানে এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে অধিনায়ক মুশফিক ও তার ছেলে শাহরোজ রহিম পরিবারের সঙ্গে উপস্থিত হন। যার সম্পূর্ণ উপলক্ষে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা হয়। নামাজ শেষে তিনি ময়দানে আগত মুসল্লিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কুশল বিনিময় করেন এবং সবার ঈদ উপলক্ষে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
ঈদ উপলক্ষে সংগীত ও জনসমাগম
ঈদগাহ ময়দানে মুশফিকের সংগীত গাওয়া এবং পরিবারের মাঝে আনন্দের ছড়াছড়ি দেখা যায়। বাবার সঙ্গে ঈদের নামাজে জুড়ে থাকার মুখ্য কারণ ছিল ছেলে শাহরোজ রহিমের স্বাস্থ্য উন্নতি। কারণ ঈদুল আজহার উপলক্ষে নামাজ পড়তে সক্ষম হননি তিনি মায়ান হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায়। ফলে সেই দিন তিনি ও তার বাবা মাহবুব হামিদ পরিবারের সঙ্গে জুড়ে নামাজ আদায় করেন। এই ঘটনার প্রতি আফসোস প্রকাশ করে মুশফিক বলেন, “ঈদের দিন যার যার পরিবারের সাথে শেষ করতে পারেন সেই সৌভাগ্য আমার বাবার সঙ্গে ঈদের নামাজে আমি খুব ভাগ্যবান বলে মনে করি।”
ঈদের পরিবারের সাথে নামাজের সময় মুশফিক বলেন, “ঈদ উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে শেষ করার কথা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই ছোট বালক আমার জন্য খুব স্পেশাল। আমি যার যার পরিবারের সাথে ঈদ করতে পারব তাদের জন্য আমি আফসোস বোধ করি।”
ঈদুল আজহার উপলক্ষে বাবার সঙ্গে নামাজ পড়ার পর মুশফিকের পরিবার নিজেদের পরিবারের সাথে পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সেখানে উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে তিনি একটি পরিবারের প্রতি অনুরাগ প্রকাশ করেন। ঈদের সেই দিন মুশফিক এবং তার পরিবার স্থানীয় এলাকার সবার কাছে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
ঈদের ম্যাচ সিরিজে আসন্ন অপেক্ষা
ঈদ উপলক্ষে বাবার সঙ্গে নামাজ পড়ার পর মুশফিক তার আসন্ন ম্যাচ সিরিজের আশাবাজী করেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ দেখা যাবে বলে তিনি আশা করেন। মুশফিকের কথা প্রকাশ করে বলা হয়েছে যে ঈদের নামাজের পর দেশের সবার জন্য আশার সময় আসছে।
ঈদ উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে নামাজ পড়ার ঘটনা আকর্ষণীয়। সেখানে মুশফিক ও তার ছেলে শাহরোজ রহিম পরিবারের সঙ্গে মুখ্য কারণ হল মায়ানের স্বাস্থ্য। তার জন্য আফসোস প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ঈদের দিন যদি সবার পরিবারের সাথে আমি শেষ করতে পারি তার জন্য আমি খুব ভাগ্যবান বলে মনে করি।”
বাবার সঙ্গে ঈদের নামাজে জুড়ে থাকার ঘটনা সম্পর্কে জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে মুশফিক বলেন, “ঈদের দিন যার যার পরিবারের সাথে জুড়ে থাকা সম্ভব হয় তাদের জন্য আমি আফসোস বোধ করি। আমার ছেলে মায়ানের কারণে আমি যে কারণে