বাজারে ক্রেতা কম, তবু চড়া সবজির দাম
ব জ র ক র ত কম – ঈদুল আজহার ছুটি এখনও অবশিষ্ট আছে। অনেক বাসিন্দা শহরের বাইরে থাকায় কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম দেখা যাচ্ছে। তারপরও বেশির ভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। অন্যান্য নিত্যপণ্যের মূল্যে তেমন একটা কমেনি।
মাংস ও ডিমের বাজারে আমন্ত্রণ বেশি হয়নি
শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাছ-মাংস ও ডিমের দোকানগুলো এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। বেশির ভাগ মাংসের দোকান বন্ধ থাকলেও খোলা মুরগির দোকানগুলোতে বিক্রেতারা ক্রেতার অপেক্ষায় সময় পার করছেন।
রামপুরার আল-আমিন চিকেন হাউজের এক বিক্রেতা বলেন, ‘আজই দোকান খুলেছি। বিক্রি খুব একটা নেই। মানুষ এখনো গ্রামের বাড়িতে আছে। বাসায় কোরবানির মাংস থাকায় মুরগির চাহিদাও কম। কয়েক সপ্তাহ এমন পরিস্থিতি থাকতে পারে। মুরগির দাম আরও কিছুটা কমতে পারে।’
আরেক বিক্রেতা জানান, বাজারে এখনো ক্রেতা নেই বললেই চলে। সবাই ফিরে এলে আবার বেচাকেনা বাড়বে। সবজি ব্যবসায়ী সালাম হোসেন বলেন, এখন ক্রেতা কম। আবার পাইকাররাও পুরোপুরি বাজারে ফেরেননি। ফলে সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এজন্য দাম কিছুটা বেশি।
সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী
বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি টমেটো ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা, দেশি গাজর ১৬০ টাকা, চায়না গাজর ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লম্বা বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৮০ টাকা, কালো গোল বেগুন ১০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। শিম ৩২০ টাকা, শজনে ১৮০ টাকা, দেশি শসা ১২০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে হাইব্রিড শসা ও পেঁপে ৮০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। আকারভেদে প্রতিটি লাউ ৮০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ফুলকপি ৭০ টাকা ও বাঁধাকপি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। প্রতি হালি কাঁচা কলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং লেবু ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
মাছের বাজারে সরবরাহ থাকলেও দাম বেশি
মাছের বাজারে সরবরাহ থাকলেও দাম এখনো বেশ চড়া। আকার ও ওজনভেদে ইলিশ মাছ এক হাজার ৩০০ থেকে তিন হাজার টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল ৩৮০